আইসিটি প্রকল্প খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ফাস্ট ট্র্যাক সেবা চালু করছে সরকার। আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) এবং লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্নেন্সের (এলআইসিটি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয় ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০২৩ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ৭০০ কোটি ডলার আয় করবে বাংলাদেশ। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও সেবা-সব মিলে এই আয় হবে। যেসব লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে পূরণের কথা ছিল, এরই মধ্যে সে সব লক্ষ্যপূরণ হয়ে গেছে।
প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বিমানবন্দরে লাগেজ নিয়ে যাত্রীদের হয়রানি বন্ধ হবে।
এজন্য ‘লাগেজ ট্র্যাকিং সিস্টেম’ উন্নয়নের প্রতি জোর দেওয়া হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য ‘ফাস্ট ট্র্যাক সার্ভিস’ চালুর জন্য আইসিটি বিভাগের লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্নেন্স (এলআইসিটি) ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এ সময় পলক বলেন, বিমানবন্দরে আসার পর বিনিয়োগকারীদের লাগেজ পেতেই তিনঘণ্টা লাগলে প্রথমেই একটা নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। এটা চিহ্নিত সমস্যা। তাই লাগেজ ট্র্যাকিং সিস্টেম করা হলে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এই চুক্তির পর বিমানবন্দরে সমস্যা কমে আসবে, বিনিয়োগ ত্বরান্তিত হবে বলে আশা করি’।
অনুষ্ঠানে আইসিটি বিভাগের সচিব জুয়েনা আজিজসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সমঝোতা স্মারকে বিডার সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ও বিসিসির নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই চুক্তির ফলে আইসিটি খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন অ্যারাইভাল ভিসা, নিবন্ধন ও বিনিয়োগে সংক্রান্ত নথি সংগ্রহের ব্যাপারে দ্রুত সেবা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।