মেঘনায় ট্রলার ডুবির ৫২ ঘন্টা পর উদ্ধার অভিযান

মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া এলাকায় মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনার প্রায় ৫২ ঘন্টা পর নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে পানিতে নেমেছে ডুবুরির দল। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নদীতে ডুবে যাওয়া ট্রলার কিংবা নিখোঁজ যাত্রীদের কেউ  উদ্ধার হননি।

দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে নৌ পুলিশের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ডিআইজি শেখ মারুফ হাসান   এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, গত ১৫ জানুয়ারি ভোর রাত সাড়ে তিনটার দিকে গজারিয়া এলাকায়  কুয়াশাচ্ছন্ন মেঘনা নদীতে তেলবাহী জাহাজের ধাক্কায় একটি মাটিবাহী ট্রলারের মুখোমুখী সংঘর্ষে ট্রলারটি ডুবে যায়।

তিনি জানান,  গজারিয়া উপজেলার ইউএনও  দুর্ঘটনার বিষয়টি  দুপুর  ১২টার দিকে গজারিয়া নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জকে অবহিত করেন। ইনচার্জ তাৎক্ষণিক নৌ-পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করে উদ্ধারের লক্ষ্যে কালিপুরে যান।

তিনি বলেছেন, কিন্তু ঘটনাস্থল ও বেঁচে যাওয়া লোকজন খুঁজে পাননি। পরবর্তীতে ফতুল্লায় গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সাহায্যে বেঁচে যাওয়া দুজনকে খুঁজে পান এবং তাদের নিয়ে  বুধবার  রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কালিপুরের সম্ভাব্য ঘটনাস্থলে পৌছানোর ঘন কুয়াশায় উদ্ধার অভিযান চালাতে পারেনি।

পরে বৃহস্পতিবার সকালে ডিআইজি নৌ-পুলিশের নির্দেশে নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মাহবুবুর রহমানের তদারকিতে ও নৌ-পুলিশ ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার হুমায়ুনের নের্তত্বে অভিযান শুরু হয় বলে তিনি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ডিআইজি মারুফ হাসান বলেন,  তেলবাহী জাহাজের ধাক্কায় মাটি বাহী ট্রলারের ১৯ থেকে ২০ জন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনার পরপর ১৪ জন যাত্রী তীরে উঠে জীবন বাঁচিয়েছেন। 

তিনি জানান, মাটিবাহী ট্রলারের মাঝির সন্ধান পেয়েছি। দুর্ঘটনার পরপরই মাঝি উদ্ধার পেয়ে তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর জেলার শিবচরে চলে গেছে। সেখানকার পুলিশের মাধ্যমে তাকে ঘটনাস্থলে আনার নির্দেশ দিয়েছি।