‘যশোরে আগ্নেয়াস্ত্র কারখানা’ আটক ৩ জন কারাগারে

যশোরে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ আটক তিনজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক আকরাম হোসেন তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরা হলেন যশোর সদরের ভাতুড়িয়া গ্রামের দাড়িপাড়ার কামরুল ইসলাম, তার স্ত্রী রাবেয়া বেগম ও আবুল বাশার।

এর আগে যশোর কোতোয়ালি থানার এসআই খবির হোসেন বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে বুধবার রাতে একটি মামলা করেন। অস্ত্র ও গুলি তৈরির সরঞ্জাম দখলে রাখার অভিযোগে এ মামলা হয়।

বুধবার আটকের পর কামরুল সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বলেন, ‘আমার তৈরি অস্ত্রগুলো কোনো ক্ষতি করে না, পুলিশ মামলার আলামত হিসেবে আমাকে দিয়ে এগুলো তৈরি করায়। প্রতিটি অস্ত্র গুলিসহ ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।’

বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ সদর থানা এবং যশোর কোতোয়ালি থানায় কর্মরত দুজন এসআইয়ের নাম উল্লেখ করে কামরুল দাবি করেন, এরা তার কাছ থেকে নিয়মিত অস্ত্র কিনে থাকেন। তবে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে দেশ রূপান্তরের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করেন।   

গত বুধবার দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভ্রাম্যমাণ আদালত সঙ্গে নিয়ে ভাতুড়িয়া গ্রামের কামরুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালায়। ওই বাড়িতে ঢুকে আদালত কামরুল ইসলামের হাতে একটি দেশি পিস্তল ও ঘরে অস্ত্র তৈরির নানা সরঞ্জাম দেখতে পায়। সেখানে কামরুলের স্ত্রী রাবেয়া বেগম ও আবুল বাশার নামে আরও এক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। তাদের তিনজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদুল আলম উদ্ধার মালামালের জব্দ তালিকা তৈরি করেন। পরে তিনজনকে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়।