কক্সবাজারের টেকনাফ বিজিবি-পুলিশ যৌথ অভিযানের সময় আটক মোস্তাক আহমদ প্রকাশ মুছু (৩৫) নামের এক ব্যক্তি কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে টেকনাফ উপজেলার জালিয়াপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত মোস্তাক আহমদ ওই এলাকার মৃত জাকির হোসেনের ছেলে। এ সময় বিজিবি ও পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি বিজিবি’র।
টেকনাফ ২নং বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আছাদুদ-জামান চৌধুরী জানান, ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় টেকনাফ উপজেলার উত্তর জালিয়াপাড়া এলাকায় বিজিবি ও পুলিশ যৌথ অভিযানে নামে। এ সময় ওই এলাকার মোস্তাক আহমদ প্রকাশ মুছুকে আটক করা হয়। পরে মুছুকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছে বেশকিছু ইয়াবা সংরক্ষিত আছে বলে জানতে পারে বিজিবি।
আটক মোস্তাক আহমদকে নিয়ে রাতে জালিয়াপাড়া এলাকায় অভিযানে বের হয়। অভিযানের একপর্যায়ে বিজিবি-পুলিশকে লক্ষ্য করে পাচারকারীরা গুলি করে আটক মোস্তাক আহমদকে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়।
এ সময় আত্মরক্ষার্থে বিজিবি-পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে পাচারকারীরা পিছু হটে গেলে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মোস্তাক আহমদকে পাওয়া যায়। প্রথমে তাকে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আছাদুদ-জামান চৌধুরী আরও জানান, বিজিবি ঘটনাস্থল থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও খালি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কি ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র এবং ইয়াবার মূল্য বলা হয়নি।
একইভাবে আহত ২জন বিজিবি’র সদস্য ও এক পুলিশ সদস্যের নামও বলতে পারেননি।
নিহত মোস্তাক আহমদের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আইনে টেকনাফ থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান বিজিবি’র ওই কর্মকর্তা।
এদিকে, বিষয়টি জানতে টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।