কর্মীদের মোটিভেট করার কৌশল

দলের সদস্য, কর্মী, কর্মকর্তাদের সঠিক উপায়ে মোটিভেট করতে যে উপায়গুলো বেছে নিতে পারেন-

১. আপনি একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আপনার প্রতিটি কথা, কাজ, পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, ব্যবস্থাপনার গুণাগুণ, ব্যক্তিগত ও মানবিক গুণাগুণÑ সবকিছুই অনুসরণ করা হচ্ছে। ফলে আপনার বলা কথা, আদেশ, নির্দেশনা, পরামর্শ এসব ঘিরেই কিন্তু তাদের কার্যক্রম, পদচারণ ও স্বপ্ন দেখা। সুতরাং মিথ্যে আশ্বাস কখনোই দেবেন না।

২. অনেক ক্ষেত্রে মিথ্যে আশ্বাস দিয়েও যথাসময়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেন। মিথ্যে আশ্বাস অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দ্রুত সমাধান আনলেও ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানের চলার পথে আরও গভীর ক্ষত তৈরি করে।

৩. দলের সদস্যদের প্রতি যদি আপনার দখল ও আস্থা থাকে, তাহলে আসল কথা খুলে বলুন। তাদের সাহায্য চান। মিথ্যে আশ্বাস দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তাদের ভালোমন্দ দেখতে পারার যোগ্যতাও আপনার দক্ষতার মাপকাঠি।

৪. দলের দক্ষ ও যোগ্য সদস্যদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আপনার সাধ্যমতো চেষ্টা করুন।

৫. নিজের অনুসারীরা বা অধস্তন সহকর্মীদেরও আছে নানা চাহিদা এবং আপনি জানেন, এই চাহিদা যুক্তিসংগত, অথচ কিছুই করার নেই। এ অবস্থায় আপনাকে মাঝখানে দাঁড়িয়ে সামলাতে হবে উভয় পক্ষকেই।

৬. ছয় দলের সদস্যদের মোটিভেটেড রাখার অনেক উপায় আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে, নিজের অবস্থান ও ব্যক্তিত্বকে ধরে রেখে আসল দলনেতার মতো তাদের সমস্যাগুলোকে বোঝার চেষ্টা করে সমাধান করা।

৭. অন্যায় বা ভুলের যেমন শাস্তির বিধান আছে, তেমনি ভালো কর্মীর পুরস্কারও আছে। যার যার পাওনা তাকে বুঝিয়ে দিতে সঠিক সময় ও স্থান নির্বাচন করুন। এতে আপনার উদ্দেশ্য অনেক সফলভাবে বাস্তবায়ন হবে। মাসিকি বা সাপ্তাহিক সভাও একটি সঠিক স্থান হতে পারে।

৮. যদি মিথ্যে আশ্বাস দিতেও হয়, যত কম ক্ষতি হয়, সত্যের কত কাছাকাছি থেকে বলা যায়, ভেবে দেখুন। আর লিখে রাখুন পুরো বিষয়টি। এরপর থেকে প্রতিদিন ভাবতে থাকুন, কোনো উপায়ে এই মিথ্যেটাকে সত্যি বানানো যায় কি না।