সি-মি-উই ৬ সাবমেরিন কেব্ল কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। এমনটি হলে এটি হবে বাংলাদেশের জন্য তৃতীয় সাবমেরিন কেব্ল সংযুক্তি। যদিও হাওয়াইয়ের হনুলুলুতে সি-মি-উই ৬ নিয়ে উদ্যোক্তাদের বৈঠকের বিস্তারিত কাগজপত্র এখনো দাপ্তরিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তাই এই কনসোর্টিয়ামে কারা যুক্ত হয়েছেন, এর সক্ষমতা, বিনিয়োগ ইত্যাদি বিষয়ে এখনো কিছু জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সি-মি-উই (SEA-ME-WE) হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিম ইউরোপের সংক্ষিপ্ত নাম। সর্বশেষ ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সি-মি-উই ৫ কনসোর্টিয়ামে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, ইউএই, জিবুতি, মিসর, তুরস্ক, ইতালি, ফ্রান্স, মিয়ানমার এবং ইয়েমেনের সঙ্গে বাংলাদেশও যুক্ত হয়েছিল। এই ১৯ দেশ ১৯টি ল্যান্ডিং পয়েন্টের মাধ্যমে কেবলের সঙ্গে যুক্ত হয়। এবারের নতুন সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিম ইউরোপের কয়েকটি দেশ যুক্ত হবে।
সি-মি-উই ৬ এ যোগ দেওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে অফিশিয়ালভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ দেশে তৃতীয় সাবমেরিন কেব্ল সংযুক্তি অনিবার্য হয়ে উঠেছে। ইন্টারনেট ব্যবহার যেভাবে দিন দিন বাড়ছে তাতে কিছুদিন পর আমাদের ব্যান্ডউইথের চাহিদা এমন জায়গায় গিয়ে ঠেকবে যে, সি-মি-উই ৫ দিয়ে তা আর সামাল দেওয়া যাবে না। এর মধ্যেই দেশে ব্যান্ডউইথের ব্যবহার এক হাজার জিবিপিএস ছুঁয়েছে।
২০১৮ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট কার্যকর ইন্টারনেট সংযোগ সংখ্যা ছিল ৯ কোটি ১৮ লাখ। এর মধ্যে মোবাইলের মাধ্যমে সংযোগ আছে ৮ কোটি ৬২ লাখ। সংখ্যায় মাত্র ৫৭ লাখ ৩৫ হাজার হলেও ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমেই ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের বেশির ভাগ ব্যবহার হয়ে থাকে। এর বাইরে ওয়াইম্যাক্স সংযোগ আছে আরও ৬১ হাজার।
-টেকশহর