বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ‘কবিরহাটের বিএনপি নেতাকে কারাগারে পাঠিয়ে তার স্ত্রীকে গণধর্ষণের সুযোগ করে দিয়েছে পুলিশ। ধর্ষিতাকে থানায় ডেকে নিয়ে আলামত নষ্ট করেছে। মিডিয়ার চাপে মূল হোতা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও ধর্ষকদের রক্ষার চেষ্টা করা হচ্ছে।
গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে দেখতে গিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলছেন। এরপর দুপুর ১২টায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুর রহমানের কক্ষে এক বিবৃতিতে সাংবাদিকদের জানান, ‘এই গণধর্ষণের বিচার হবে, আমরা আইন সহযোগিতা দেব। এখন সবচেয়ে আগে এ নির্যাতিতার মানসিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা দরকার।’ ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, ‘ধর্ষক আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট স্বীকারোক্তি দিয়ে বলছে ধর্ষণ করেছে। আর ডাক্তার পরীক্ষা করে রিপোর্ট দিচ্ছে ধর্ষণের আলামত পায়নি। এ ডাক্তারি রিপোর্ট রাজনৈতিক রিপোর্ট, ডাক্তার সরকারি চাকরি করে তাই সরকারি দলের নেতাদের প্রভাবে ভুয়া ও মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছে। আদালতে প্রমাণ করা হবে এটি মিথ্যা ও ভুয়া রিপোর্ট।’
তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনের পর সুবর্ণচর কবিরহাটসহ সারা দেশে একই রকম ঘটনা ঘটছে। এ যেন এক মহোৎসব চলছে। সারা দেশে নির্বাচন-উত্তর হামলা, মামলা, আহত, নিহত করা চলছে। এখনো বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী জেলে। এ নির্বাচন কোনো নির্বাচনই নয়। এটা ছিল রাজনৈতিক দস্যুতা। ৯৭% আসন সরকারি দল নিয়েছে ভোট চুরি করে। তিনি বলেন, ‘সরকারের মধ্যে সরকার, সরকারের মধ্যে বিরোধী দল এই জগাখিচুড়ি একসময় তাদেরই ধ্বংস ডেকে আনবে। আমরা দেশে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম কিন্তু ৩০ ডিসেম্বর সরকারি দল ও তাদের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে।’