দুই কর্মীকে কুপিয়ে জখম

চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রলীগের ১৪ জন আসামি

ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় আহত মিরাজের মা পান্না বেগম গতকাল শনিবার বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় পৌর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাফিজুর রহমান, সাবেক দপ্তর সম্পাদক শেখ সামী তাপুসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ১৪ জন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় বাদী অভিযোগ করেন, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তার ছেলে আল মিরাজ ও তার বন্ধু বশির দৌলতদিয়াড় এলাকার দক্ষিণ পাড়ার একটি চায়ের দোকানে বসে গল্প করছিল। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে আসামিরা হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মিরাজ ও বশিরকে কুপিয়ে জখম করে। হত্যার উদ্দেশ্যে মিরাজের পায়ের রগও কেটে দেয়। মামলার এজাহারে আসামিদের স্থানীয় সন্ত্রাসী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবদুল খালেক জানান, বাদীর লিখিত অভিযোগ পেয়ে মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি বলেন, যেহেতু ছাত্রলীগের অন্তঃকোন্দলে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে, তাই সূক্ষ্ম তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সদর থানার উপপরিদর্শক ভবতোষ ঘোষকে।

প্রসঙ্গত স্থানীয় ছাত্রলীগের অন্তঃকোন্দলে একটি পক্ষ গত শুক্রবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা শহরতলির দৌলতদিয়াড় এলাকায় ছাত্রলীগকর্মী মিরাজ ও বশিরকে কুপিয়ে জখম করে। তারা মিরাজের বাম পায়ের রগও কেটে দেয়। অবস্থা আশঙ্কজনক হওয়ায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষ সেদিন রাতেই মিরাজকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠায়। এ ঘটনার পর চুয়াডাঙ্গা শহর ছাত্রলীগের বিবদমান দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে  উত্তেজনা বিরাজ করছে।