বুড়িগঙ্গা তীরে ১৬৪ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ঢাকার কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে তোলা ১৬৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্র্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম চলে। পুলিশ, নৌ-পুলিশ, আনসার সদস্য ও শতাধিক শ্রমিক অভিযানে সহায়তা করেন।

অভিযানকালে দুটি সাততলা ভবন, দুটি পাঁচতলা, তিনটি দোতলা ও চারটি একতলা পাকা ভবন ভাঙা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে উচ্ছেদকালে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক (বন্দর) শফিকুল হক, যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন, উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান, সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, নূর হোসেন স্বপন ও আসাদুজ্জামান মিয়া। বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বুড়িগঙ্গার তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালানোর পর আবারও তা দখলের ঘটনা ঘটে আসছে। এবার যেন তার পুনরাবৃত্তি না হয় সেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক আরিফ উদ্দিন বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন, যেকোনো মূল্যে নদীকে উদ্ধার করতে হবে। নদীর পারে ছোট বা বড়, এমনকি ২০ তলা ভবন থাকলেও তা ভেঙে ফেলার নির্দেশনা রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান জিরো টলারেন্সে থেকে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এবার টেকসই উচ্ছেদ অভিযান পরিকল্পনা নিয়ে আমরা মাঠে নেমেছি। অভিযানে যেসব মালামাল আটক করা হয়েছে তা নিলামে তোলা হবে। অবৈধ স্থাপনাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে। নদীর দু’পাশে ছোট-বড় মিলিয়ে ছয় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে।’ উচ্ছেদ অভিযান ১১ দিন ধরে চলবে বলেও জানান তিনি।