শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৮২ জন সনদধারীর চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩৫ বছরের বয়সসীমা নির্ধারণ কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল রবিবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্র্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের (মাউশি) সচিব, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ এনটিআরসিএর সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তাকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. কায়সার জাহিদ ভূঁইয়া ও জি এম শরীফুল ইসলাম।
আইনজীবীরা জানান, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মচারীদের নিয়োগ সংক্রান্ত ১৯৭৯ সালের পরিপত্রে চাকরিতে প্রবেশের কোনো নির্দিষ্ট বয়সসীমা ছিল না। ২০১৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ থেকে জারিকৃত জনবল কাঠামো এবং এমপিও নীতিমালা সংশোধন করা হয়। ওই সংশোধনীর ১১(৬) ধারায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মচারীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়। নতুন ওই নীতিমালার কারণে আগে উত্তীর্ণ হওয়া সনদধারীরা নিয়োগ নিয়ে বিপাকে পড়েন। এদের মধ্যে নড়াইল, গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলার ৮২ জন হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।