ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া ডিগ্রি কলেজ

ছয় বছর পর জানা গেল শিক্ষকের সনদ ভুয়া

শিক্ষক নিবন্ধন সনদপত্র জালিয়াতি করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে। প্রভাষক আতিকুর রহমান যে শিক্ষক নিবন্ধন সনদপত্র জমা দিয়ে চাকরি নিয়েছেন, সে ব্যক্তির নামও আতিকুর রহমান। তবে প্রকৃত ওই সদনধারীর বাবার নাম ও ঠিকানা ভিন্ন। গতকাল রবিবার আতিকুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক আতিকুর রহমানকে গত ৩১ জানুয়ারি ‘ভুয়া সনদপত্র দিয়ে চাকরিতে যোগ দেওয়ার’ সাত দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেয় রুহিয়া ডিগ্রি কলেজ কর্র্তৃপক্ষ। গত শনিবার ব্যাখ্যা দেওয়ার শেষ দিনেও ওই প্রভাষক উত্তর দেননি বলে নিশ্চিত করেন কলেজের অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ।

কলেজের অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ জানান, ২০১২ সালের ১১ নভেম্বর আতিকুর রহমান রুহিয়া ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি কারিগরি শাখার ইংরেজি প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি ওই শিক্ষকের এমপিও হয়। তার চাকরিতে যোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানোর পর ২০১৫ সালে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা দপ্তরের যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার ও অডিটর মাহমুদুল হক রুহিয়া কলেজ পরিদর্শন করেন। এরপর ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর শিক্ষা অধিদপ্তরের নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগের পরিচালক প্রফেসর আহম্মেদ সাজ্জাদ রশিদ স্বাক্ষরিত নিরীক্ষা প্রতিবেদন কলেজ কর্র্তৃপক্ষের কাছে পাঠায়।

ওই নিরীক্ষা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ বলেন, ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক আতিকুর রহমানের শিক্ষক নিবন্ধন সনদপত্রটি সঠিক নয় এবং ওই নিবন্ধনটি অন্য ব্যক্তির।