বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বর্তমানে বিশ্বের ১২১টি দেশে ৬৭৩ দশমিক ৭০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে। তিনি গতকাল মঙ্গলবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য বজলুল হক হারুনের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, কৃষিজাত পণ্য অধিকহারে রপ্তানি বাড়াতে সরকার নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে। সে লক্ষ্যে বিদ্যমান রপ্তানি নীতিতে কৃষি ও কৃষিজাত পণ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত খাত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। টিপু মুন্শি বলেন, কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারের সর্বক্ষেত্রে চুক্তিবদ্ধ চাষ ব্যবস্থা ও উত্তম কৃষি পদ্ধতি ‘গুড এগ্রিকালচার প্র্যাকটিস (জিএপি)’ অনুসরণ করে মাঠ থেকে বাজার ‘ফারম টু মার্কেট’ নীতি অনুসরণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, এছাড়া কৃষিপণ্য উন্নয়নে বিভিন্ন গবেষণামূলক কার্যক্রম নেওয়া হবে এবং বালাইমুক্ত কৃষিপণ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতাধীন উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ উইংকে শক্তিশালী করা হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কৃষিপণ্য (শাকসবজি বা ফলমূল) ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য খাতে রপ্তানির বিপরীতে ২০ শতাংশ হারে রপ্তানি ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
টিপু মুন্শি বলেন, খাতভিত্তিক রপ্তানি উৎসাহিত করার লক্ষ্যে কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যকে চলতি জন্য ‘বর্ষপণ্য-২০১৯’ ঘোষণা করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, রপ্তানি নীতি ২০১৮-২১ এ কৃষি খাত ও কৃষিপণ্যের ওপর পৃথক অধ্যায়ে নানাবিধ নীতি সুবিধা প্রদানের বিষয়ে বলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদ- বজায় রেখে মানসম্মত কৃষিপণ্য উৎপাদনে কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্য খাতে রপ্তানি আয় বিগত কয়েক বছরের তুলনায় বেড়ে গত অর্থবছর ৬৭৩ দশমিক ৭০ মিলিয়ন ডলার অর্জিত হয়েছে। চলতি অর্থবছর এই খাতে ৭১১ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।