সীমান্তে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে চট্টগ্রামে গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে চার দিনব্যাপী বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন। সকালে হালিশহরে বিজিবির দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে বাংলাদেশ ও ভারত বদ্ধপরিকর। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন
বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আমিরুল ইসলাম শিকদার এবং ভারতের পক্ষে মিজোরাম-কাচার ফ্রন্টিয়ারের মহাপরিদর্শক ড. কানহু চরণ মাহালি।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আমিরুল ইসলাম শিকদার বলেন, ‘সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নারী ও শিশু পাচাররোধ এবং সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে নির্মাণ, উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফেনী নদীর পানি বণ্টনের বিষয়ে যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে কাজ হচ্ছে। তবে যেটুকু পানি নিয়ে যাওয়ার কথা তার চেয়ে বেশি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিষয়টি আমরা তাদের জানিয়েছি। এটি সম্পূর্ণভাবে যৌথ নদী কমিশনের ওপর নির্ভর করছে।’
বিএসএফ মিজোরাম ও কাচার ফ্রন্টিয়ারের মহাপরিদর্শক ড. কানহু চরণ মাহালি বলেন, ‘চোরাচালান ও অপরাধমূলক কর্মকা-ের ব্যাপারে আমরা কঠোর অবস্থান নিয়েছি। ভারত সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশ বন্ধে বিজিবি ও বিএসএফ যৌথভাবে কাজ করছে।’
গত ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের হালিশহরে বিজিবির দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন সদর দপ্তরে সম্মেলন শুরু হয়। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম আনিসুল হক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজেদুর রহমান, বিএসএফ ত্রিপুরার মহাপরিদর্শক সলমন ইয়াশ কুমার, মেঘালয়ের মহাপরিদর্শক কুলদীপ সাইনি উপস্থিত ছিলেন।