ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবি মহাপরিচালক

বিজিবি-গ্রামবাসী সংঘর্ষের ঘটনা অনাকাক্সিক্ষত

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘বহরমপুরে বিজিবির সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনা অনাকাক্সিক্ষত। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সেজন্য এলাকাবাসী ও বিজিবি সতর্ক থাকবে।’ গতকাল সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সার্কিট হাউসে বহরমপুরের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলার পর সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন তিনি।

সাফিনুল জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারির সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার সাজ্জাদ হোসেনকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিজিবির মহাপরিচালক বলেন, ‘দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত রক্ষার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে আসছে বিজিবি। সীমান্তে বসবাসরত জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তাদের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়েই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে বাহিনীর সদস্যরা।’

পরে পুলিশের একটি চৌকস দল বিজিবির মহাপরিচালককে গার্ড অব অনার দেয়। এ সময় জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম, জেলা পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান, বিজিবি ঠাকুরগাঁও সেক্টর কমান্ডার কর্নেল শামসুল আরেফিন, ৫০ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ১২ ফেব্রুয়ারি হরিপুর উপজেলার বহরমপুরে এক ব্যক্তি বিক্রির জন্য নেওয়া গরু ভারতীয় সন্দেহে তা জব্দ করে বিজিবি। গ্রামবাসী তা ঠেকাতে এলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় বিজিবি সদস্যদের ছোড়া গুলিতে এক শিশুসহ তিন গ্রামবাসী নিহত হন। বিজিবি সদস্যসহ আহত হন আরও ২০ জন।