কুষ্টিয়ায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই ‘ডাকাত’ নিহত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা রয়েছে বলে পুলিশের দাবি। এরা হলো উপজেলার গড়–ড়া গ্রামের মছের উদ্দিনের ছেলে মুফাজ্জেল হোসেন ওরফে মুফা (৪২) ও কৈপাল গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে মহাবুল (৪০)। গতকাল মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার ডাংমড়কা-আদাবাড়িয়া সড়কের কাটাদহ মাঠে এ ঘটনা ঘটে বলে দৌলতপুর থানার ওসিমো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন।  তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, দুই দল ডাকাতের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের একটি দল গুলির মুখে পড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলি থেমে গেলে দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে দুটি অস্ত্র, চারটি গুলি ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।

পাবনায় বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ ১২ মামলার আসামি

পাবনার চাটমোহরে কথিত বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবক আটক হয়েছে। সে চিহ্নিত মাদক কারবারি বলে পুলিশের দাবি। আটক আবদুল্লাহ ওরফে জাহিদ (২৮) নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার চর গোবিন্দপুর গ্রামের শহিদুল্লাহর ছেলে। গত সোমবার রাত ৩টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর সেন্ট রীটার্স হাইস্কুলের পাশে এ ঘটনা ঘটে বলে চাটমোহর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এস এ এম ফজল-ই-খুদা পলাশ জানান।

তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, সোমবার সন্ধ্যার দিকে আনকুটিয়া তাহেরের মোড় এলাকা থেকে আবদুল্লাহ ওরফে জাহিদকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে নিয়ে পুলিশের একটি দল সেন্ট রীটার্স হাইস্কুলের পাশে মাদক উদ্ধারে গিয়ে গুলির মুখে পড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে জাহিদ বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। গোলাগুলি থেমে গেলে ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলবার, দুটি গুলি ও ২০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিল্লুর রহমান ও শহিদুল ইসলাম নামে দুই পুলিশ কনস্টেবল আহত হন। তাদের চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চাটমোহর থানার ওসি শেখ নাসীর উদ্দিন জানান, আবদুল্লাহ ওরফে জাহিদ পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে বড়াইগ্রাম থানায় হত্যা, ডাকাতি, মাদক ও অস্ত্র আইনে ১২টি মামলা রয়েছে।