“আমাদের দেশটা কত সুন্দর তা বিশ্বের অনেক দেশই জানে না। এমনকি আমাদের দেশের যেসব লোক প্রবাসে থাকেন, তাদের সন্তানরাও হয়তো জানে না। এমনও আছে অনেকে বিদেশে পড়ালেখা করতে গেছে, কেউ আবার পেশাগত কারণে বিদেশে থাকছেন। এসব মানুষের মধ্যে দেশের প্রতি আলাদা টান আছে। কিন্তু তারা হয়তো সময়-সুযোগের অভাবে দেশটাকে একবারের জন্য দেখতেও আসতে পারেন না। শুধু কি তাই? আমরা যারা দেশে থাকি, তারা কি দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখেছি? কেউ হয়তো নিজের দেশ বলে গুরুত্বই দেন না। আবার কেউ কেউ সুযোগ পান না ঘোরার। সব ধরনের মানুষের জন্য আমাদের সিনেমা ‘হৃদয়ের রংধনু’। মূলত বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের অপার সৌন্দর্য তুলে ধরার জন্য এই সিনেমাটি তৈরি হয়েছে।” বললেন এই সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা মডেল-অভিনেতা শামস হাসান কাদির। বর্তমানে রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি চলছে।
শামস কাদির আরও বলেন, ‘এই ছবিতে আমি একজন ব্যবসায়ী। সে সারাক্ষণ টাকার চিন্তায় মশগুল। আমার তিন বন্ধু সার্বিয়ান মডেল মিনা পেটকোভিচ, মুহতাসিম স্বজন, খিং সাই মং মারমা।
তারা যথাক্রমে একজন আর্কিটেক্ট, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও একজন পেইন্টার। এই চার বন্ধুর কাছে হঠাৎ একটি রহস্যজনক ফোন আসে। সেই রহস্য উদঘাটনের জন্য আমার দেশের ৫৪টি জেলায় শ্যুটিং করি। এককথায় বলতে গেলে সিনেমাটিতে একটি থ্রিলার গল্পের মাধ্যমে দেশের সৌন্দর্য দেখানো হয়েছে। সিনেমাটি মুক্তির পর বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। আশা করছি দেশের দর্শকের পাশাপাশি আমরা বিদেশেও ভালো সাড়া ফেলতে পারব।’
কায়েস চৌধুরীর গল্পে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন রাজীবুল হোসেন। সেন্সর বোর্ডে জমা দেওয়ার প্রায় দুই বছরের মাথায় গত বছরের ২৩ অক্টোবর ছাড়পত্র পায় ‘হৃদয়ের রংধনু’ ছবিটি। এরপর ছবির অফিশিয়াল ট্রেইলার প্রকাশ পায়। আর গত শুক্রবার সিনেমা হলে চলে এসেছে সিনেমাটি। নির্মাতা বলেন, ‘অনেক ঝড়ঝাপটা গেছে আমার এই ছবিটি নিয়ে। তবে স্বাধীন নির্মাতা হিসেবে কোনো আপস ছাড়া অবশেষে ছাড়পত্র হাতে পেয়েছি। অ্যাডভেঞ্চারধর্মী সিনেমাটি ভালো লাগার মতো গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে।’