চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের ময়ুরপঙ্খী ছিনতাইয়ের চেষ্টা হলে জরুরি অবতরণ করেন পাইলট। এ সময় উড়োজাহাজের পাখা দিয়ে যাত্রীদের নেমে আসতে দেখা যায়।
পরে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ দল অস্ত্রধারী যুবকে আটক করে। এ সময় এক যাত্রীকে উদ্ধার করা হয় বলেও জানা যায়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জেনারেল ম্যানেজার দেশ রূপান্তরকে এসব জানান।
বিমানের এ কর্মকর্তা এর আগে জানান, ময়ূরপঙ্খী উড়োজাহাজটি বোয়িং-৭৩৭ মডেলের। ১৪২ জন যাত্রী ও পাঁচজন ক্রু নিয়ে বিজি-১৪৭ ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই যাচ্ছিল।
ওই উড়োজাহাজের ভেতরে থাকা এক যাত্রীর সূত্রে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে উড়োজাহাজটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাত্রা করে। সেখান থেকে উড়োজাহাজটির দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর উড়োজাহাজটি থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়।
তারা জানান, অস্ত্রধারী ব্যক্তি ককপিটে গিয়ে পাইলটকে হুমকি দেন কোথায় কোথায় যেতে হবে এ নিয়ে। তবে পাইলট ককপিটের দরজা খোলেননি। তিনি চট্টগ্রামে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই জরুরি অবতরণ করেন।
রাত আটটার দিকে এ জিম্মি নাটকের অবসান ঘটে। সেনাবাহিনীর কমান্ডো দল অস্ত্রধারী ওই ব্যক্তিকে আটক করে।