২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সেনা হত্যাকাণ্ডের যেসব তদন্ত হয়েছিল, সেগুলোর পূর্ণাঙ্গ কোনো তদন্ত এখনো জাতির সামনে প্রকাশ করা হয়নি। বিশেষ করে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যে তদন্ত করা হয়েছিল, সেই প্রতিবেদন এখনো পূর্ণাঙ্গ প্রকাশিত হয়নি। স্বাভাবিকভাবে জাতির সামনে প্রশ্ন থেকেই গেছে, এই ভয়াবহ ঘটনার পেছনে মূল পরিকল্পনাকারী কারা ছিল? কারা এই ঘটনায় লাভবান হয়েছেন?’
পিলখানা ট্র্যাজেডির দিনটি স্মরণ করে জনগণকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব। হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে টেনে ফখরুল বলেন, ‘এই দিনটি জনগণের জন্য, জাতির জন্য কলঙ্কময় দিন। এই দিনে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত করা হয়েছিল। দেশের জনগণ বিশ্বাস করে, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের সেনাবাহিনী নিঃসন্দেহে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তাদেরকে দুর্বল করে দেওয়াই ছিল সেই বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ। বিএনপি এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা চায়।’
এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় স্মৃতিস্তম্ভের বেদিতে বিএনপি মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। তারা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ফাতেহা পাঠ করে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, রুহুল আলম চৌধুরী, ফজলে এলাহী আকবর, মো. কামরুজ্জামান, শাহজাহান মিয়া মিলন, সরোয়ার হোসেন, মিজানুর রহমান, মাহমুদুল হাসান, আমিনুল ইসলাম ও শায়রুল কবির খান।