মুক্তমনা লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিলের জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষা করছে তদন্তকারী ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। গতকাল মঙ্গলবার ছিল হত্যাকাণ্ডের চার বছর। ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে টিএসসি-সংলগ্ন ফুটপাতে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ব্লগার অভিজিৎ রায়কে।
সিটিটিসির উপকমিশনার মহিবুল ইসলাম খান বলেন, ‘তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র অনুমোদনের জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পরই তা আদালতে দাখিল করা হবে।’
তদন্ত দলের সদস্যরা জানান, অভিযোগপত্রে ছয় আসামির সবাই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (আনসার আল ইসলাম) সদস্য। এদের মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে এবং দুজন পলাতক। গ্রেপ্তারকৃত চারজন হলেন মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, আরাফাত রহমান এবং হত্যাকাণ্ডে উসকানি বা প্ররোচনা দানকারী শাফিউর রহমান ফারাবী। পলাতক দুই আসামি হলেন হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী সৈয়দ জিয়াউল হক ওরফে মেজর জিয়া (চাকরিচ্যুত মেজর) ও আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে হাসিবুল ওরফে আবদুল্লাহ। এদের মধ্যে মেজর জিয়াকে ধরিয়ে দিতে পুলিশ সদর দপ্তর ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এ বিষয়ে সিটিটিসির প্রধান মনিরুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ঘোষণা এখনো বলবৎ আছে। যারা এ বিষয়ে তথ্য দিতে পারবে তারাই এই পুরস্কার পাবে।’ অভিজিৎ রায়ের বাবা অজয় রায় বলেন, ‘আমি চাই, এবার বিচারটা দ্রুত করা হোক। অভিযোগপত্র আদালতে দিলে বুঝতে পারব, কারা কেন হত্যা করেছে।