সীমান্তে বিভিন্ন সময় আটক হওয়া অভিবাসী শিশুরা যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে নিয়মিত যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে সাড়ে চার হাজারের বেশি অভিযোগ এসেছে। ফ্লোরিডার ডেমোক্রেটিক সিনেটর টেড ডিউচ এই অভিযোগ সংক্রান্ত একটি নথি সম্প্রতি প্রকাশ করলে বিষয়টি জানা যায় বলে জানিয়েছে সিএনএন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ছাড়াও দেশটির বিচার বিভাগেও এক হাজার ৩০৩টি অভিযোগ আসে যা প্রকাশ করা হয়নি। সিনেটর ডিউচ গত মঙ্গলবার হাউস অব কমন্সে বক্তব্য দেওয়ার সময় অভিবাসী শিশু নির্যাতনের বিষয়টি তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘গত তিন বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে গ্রেপ্তার হওয়া অভিবাসী শিশুদের যে হেফাজতে রাখা হয়েছে সেখানকার প্রায় ১৫৪ জন কর্মী ওই নির্যাতনের সঙ্গে যুক্ত। প্রতি সপ্তাহেই কোনো না কোনো শিশু ওই কর্মীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এই ভেবে যে, অফিস অব রিফিউজি অ্যান্ড রিসেটেলমেন্টে (ওআরআর) রাখা অভিভাবকহীন শিশুদের ওপর কতটা যৌন নির্যাতন চালানো হচ্ছে।’ তবে অফিস অব রিফিউজি রিসেটেলমেন্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান জোনাথন হায়েস এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দেওয়া এক বিবৃতিতে ডিউচকে মিথ্যাবাদী বলে আখ্যা দেন। তবে তিনি বলেন, হেফাজতে থাকা শিশুদের মধ্যে নির্যাতনের ১৭৮টি ঘটনার রেকর্ড আছে, কিন্তু ওই ঘটনাগুলোর সঙ্গে ওআরআর কর্মীরা কোনোভাবেই জড়িত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য সেবা কমিশনের কমান্ডার জোনাথন হোয়াইট বলেন, ‘এই রুমের সকলেই আমরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন। ওআরআর-এ থাকা একটি শিশুর ওপর যৌন নির্যাতনের ঘটনাও আমাদের জন্য অনেক বড় ঘটনা। তবে কিছু ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তেমন কোনো প্রমাণ পায়নি।’