আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, নারীদের অধিকার নিশ্চিতে একাধিক আইন করা হলেও নারী নির্যাতন থেমে নেই। গতকাল শনিবার রাজধানীতে এক কর্মশালায় তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নে ডিজিটাল পদ্ধতি কার্যকর হওয়ার পরও গ্রাম পর্যায়ের নারী নির্যাতনের সব খবর পায় না সরকার। তবে এসব তথ্য পৌঁছে দিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো। বিচার প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ
ইনস্টিটিউটে ‘পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে সরকারি আইনের ভূমিকা’ শীর্ষক এ কর্মশালা আয়োজন করে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’।
অনুষ্ঠানে নারীর প্রতি পারিবারিক সহিংসতা রোধে সরকার ২০১০ সালে ‘পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন’ এবং ২০১৩ সালে ‘পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিধিমালা’ প্রণয়ন করেছে জানিয়ে এগুলোর বাস্তব প্রয়োগ নেই বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন মন্ত্রী আনিসুল। বলেন, আইন করেও পুরোপুরি থামেনি নারীর ওপর সহিংসতার ঘটনা। এজন্য আইন সম্পর্কে নারীদের পাশাপাশি পুরুষদেরও জানানো প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
আনিসুল হক বলেন, পরিবারকেন্দ্রিক সহিংসতার শিকার নারীরা দেশে প্রচলিত আইন সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন হলে এবং অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করালে এ দেশে নারীর প্রতি সহিংসতা অনেকটাই হ্রাস পাবে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক বিকাশ কুমার সাহা। এতে আরও বক্তব্য দেন বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদ, আইন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম।