চেয়ারম্যান অবসরে যাওয়ায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (বিটিআইবি) ১১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন আটকে গেছে। বিগত সময়ে মাস শেষ হওয়ার আগেই চেক ছাড় করতেন চেয়ারম্যান এবং নিয়মানুযায়ী মাসের প্রথম দিন বেতন হাতে পেতেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অথচ চলতি মাসে এই প্রক্রিয়া আটকে গেছে বলে দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিটিআইবির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান অবসরে যান। এখন পর্যন্ত ওই পদে কাউকে নিয়োগ করা হয়নি। চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাবদ অর্থ তোলা সম্ভব না হওয়ায় মাস শেষ হয়ে আরেক মাস এলেও এখনো কেউ বেতন পাননি। তারা বলেন, কারিগরি বোর্ডে মোট ১১৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। তার মধ্যে ৭৮ জন কর্মকর্তা ও ৪০ জন কর্মচারী। আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর ছাড়া বেতন তোলা যায় না। এ কারণে বেতনের অর্থ তুলতে ফাইল পাস না হওয়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
শুধু তাই নয়, চেয়ারম্যান ছাড়া বোর্ডের সব সিদ্ধান্ত, নীতিনির্ধারণ ও অর্থসংক্রান্ত কোনো ফাইল পাস না হওয়ায় স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘিœত হচ্ছে। শিক্ষা বোর্ডের কার্যক্রমে প্রায় অচলাবস্থা। বর্তমানে চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে সকল কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন বোর্ডের সচিব।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব মাহাবুবুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যস্ত, সেখানে আমাদের কিছু করার থাকে না। চেয়ারম্যান না থাকায় আমাকে বোর্ডের কার্যক্রম চালিয়ে নিতে হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন ফাইলে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর ছাড়া অর্থ তোলা যায় না। তাই এ পদটি শূন্য থাকায় বোর্ডের বেতন পাস করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানিয়েছি।’