নারায়ণগঞ্জ থানার ওসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশ হাইকোর্টের

৪৯ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠায় নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. কামরুল ইসলামকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি ৩০ দিনের মধ্যে এই মামলার তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করতে বলা হয়েছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ নির্দেশ দেয়। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী সুরজিত ভট্টাচার্য। আইনজীবী ইউসুফ মাহমুদ জানান, ২০১৮ সালের ৭ মার্চ গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) নারায়ণগঞ্জ সদর থানার এএসআই মো. আলম সরওয়ার্দী রুবেলের বাসা থেকে ৪৯ হাজার পিস ইয়াবা ও ৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মামলার পর আসামি এএসআই ও নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার কনস্টেবল আসাদুজ্জামান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাদের জবানবন্দিতে এ ঘটনায় জড়িত হিসেবে ওসি কামরুলের নাম আসে।

কনস্টেবল আসাদুজ্জামানের জামিন শুনানির সময় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি হাইকোর্টের এই বেঞ্চের নজরে আসে। এ মামলায় কেন ওসিকে সম্পৃক্ত করা হয়নি এবং কেন দ্রুততম সময়ে এর তদন্তকাজ শেষ হয়নি এর কারণ জানাতে তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করে আদালত। ২৬ ফেব্রুয়ারি সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা মেহেদী মাকসুদ আদালতে হাজির হয়ে জানান, এ মামলার মূল তদন্তের দায়িত্ব পালন করছেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজিম উদ্দিন আজাদ।

আদালতের নির্দেশে সোমবার নাজিম উদ্দিন হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ওসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশসহ মামলার তদন্ত কার্যক্রম এক মাসের মধ্যে শেষ করতে নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি পুলিশ সদস্য আসাদুজ্জামানের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তার আবেদনটি নিষ্পত্তি করে দেয় আদালত।