রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পরিচয়পত্র জমা দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নতুন ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন। গতকাল মঙ্গলবার বঙ্গভবনে হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন।
জয়নাল আবেদীন জানান, ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ব্রিটেন বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রমান্বয়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ সময় আবদুল হামিদ হাইকমিশনারকে বলেন, ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ব্রিটেন সফর করেন এবং তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে রাজনৈতিক সমর্থন জানানোর জন্য ব্রিটিশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি দুই দেশের
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্রিটিশ সহযোগিতা কামনা করেন।
এর আগে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের দূত আন্দ্রে পোহ, বেলজিয়ামের ফ্রাঙ্কোয়েস দেলহাই এবং গুয়াতেমালার জিওভান্নি রেনে ক্যাস্টিলো পোলানকো রাষ্ট্রপতির কাছে আলাদাভাবে পরিচয়পত্র পেশ করেন। দূতরা বঙ্গভবনে পৌঁছলে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি দল তাদের পৃথকভাবে গার্ড অব অনার দেয়।