গোল শোধ করে উল্লাস করায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১

সোনাগাজীতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ- যুবলীগ নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার চরদরবেশ ইউপির কারামতিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ছাত্রলীগের এক কর্মী পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে তার স্বজনরা দাবি করেছে। 

চরদরবেশ ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে গত কয়েক দিন ধরে ‘নাট্যকার সেলিম আল দীন গোল্ডকাপ’ ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলা চলছে।

সোমবার বিকেলে ইউনিয়নের ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড দলের মধ্যে খেলা চলার সময়ে গোল দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। খেলা চলাকালীন সময়ে ৫ নম্বর ওয়ার্ড দল গোল পরিশোধ করলে তাদের সমর্থকেরা উল্লাস প্রকাশ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সমর্থকেরা তাদের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মিস্টার নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয় যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম বাবুল বলেন, খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর সন্ধ্যায় কারামতিয়া বাজারে  ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মানিকের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন ছাত্রলীগ কর্মী রবিন, মো. শিফন, মো. মিষ্টার ও মো. হালিমকে পিটিয়ে আহত করে। চেয়ারম্যান ভুট্টু ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে হামলাকারীদের সহায়তা করেন। আহতদের চিৎকারে আমরা এগিয়ে গেলে তারা আমাদেরও ধাওয়া করে।

অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মানিক বলেন, খেলার মাঠের ঘটনা মীমাংসা করা হলেও সন্ধ্যার পর নুরুল ইসলাম বাবুলের নেতৃত্বে যুবলীগ কর্মী শিফন, মিস্টার, সাহিন, বাবলু, ইকবালের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা আমার ভাই  আব্দুল হামিদ আরিফের উপর হামলা চালায়। তারা আমার ভাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে বাম পায়ে গুলি করে পালিয়ে যায়।

চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার  করে স্থানীয় চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ভুট্টু বলেন, সামান্য ঘটনা তৃতীয় পক্ষের ইন্ধনে বড় আকার  ধারণ করে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতরা অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।