বিজিবির গুলিতে হতাহতের ঘটনায় সাক্ষ্য নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত দল

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার বহরমপুরে বিজিবির গুলিতে হতাহতের ঘটনায় সাক্ষ্য নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৫ সদস্যের তদন্ত দল।

বুধবার সকাল থেকে ঠাকুরগাঁও সার্কিট হাউসে বিজিবির গুলিতে আহত ব্যক্তি ও স্থানীয়দের সাক্ষ্য নিয়েছেন তদন্ত দল। 

হতাহতের ঘটনায় আহতদের কাছে ঘটনার বিবরণ ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে তদন্ত দলের পক্ষ থেকে জানানো হয় দ্রুত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট প্রদান করা হবে।  তবে আহত ব্যক্তি জয়গুন, তৈমুর রহমান, সাদেকুল ইসলাম, আনারুল, রুবেল, মিঠুনসহ তাদের দাবি এখন পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য তাদের আর্থিকভাবে কোন সহযোগিতা করা হয়নি। আহতরা দোষী ব্যক্তিদের বিচারের দাবিও জানায়। 

তদন্ত কমিটির প্রধান জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্ম সচিব (সীমান্ত) মুহাম্মদ মোহসিন চৌধুরী, উপ-সচিব মো. জাকির হোসেন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বিজিবির মহাপরিচালকের প্রতিনিধি লে কর্নেল মোর্শেদ, জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুর কুতুবুল আলম, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপ-সচিব মো. জাকির হোসেন জানান, আহত ব্যক্তিদের কাছ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট প্রদান করা হবে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় গরু সন্দেহে গরু জব্দ করা নিয়ে বিজিবি-গ্রামবাসীর সংঘর্ষে বিজিবির গুলিতে শিশু জয়নুল, কৃষক সাদেক ও শিক্ষক নবাব নিহত হয়। গুলিবিদ্ধ হয় ১৪ গ্রামবাসী।

এ ঘটনার পর দিন সন্ধ্যায় বিজিবির পক্ষ থেকে হরিপুর থানায় দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে নিহত সাদেক ও  নবাবকে আসামি করা হয়।

অন্যদিকে নিহত সাদেক, জয়নুল ও নবারের পরিবারের  পক্ষ থেকে পৃথক ৩টি অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ের আদালতে দাখিল করা হয়। আদালত এ বিষয়ে কোন মামলা দায়ের না হলে, নিহতের পরিবারের তিনটি মামলা গ্রহণ করার জন্য আদেশ দেয়।