আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা নেই। বিশ্বকাপ আসতে অনেকটা সময় বাকি। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকেও মিলেছে ছুটি। লম্বা অবসর কী করে কাটাবেন জাতীয় ক্রিকেটাররা! উপায় বের করে নিয়েছেন নিজেরাই। সারি বেঁধে জীবনের শুভ কাজটা করে ফেলছেন। ক্রিকেটপাড়ায় তাই চলছে বিয়ের ধুম। একাধারে বিয়ের তালিকায় নাম উঠল সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান ও মুমিনুল হকের। গত শনিবার বিয়ে করেছেন সাব্বির। গতকাল আকদ করলেন মিরাজ। আর মোস্তাফিজের বাগদান হবে আজ। আর তালিকায় সর্বশেষ মুমিনুল হক বিয়ে করবেন আগামী ১৯ এপ্রিল।
নিউজিল্যান্ড সিরিজ শেষে অবসর সময়কে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগালেন ক্রিকেটাররা। অনেক দিন ধরেই বিয়েটা সেরে ফেলবেন ভাবছিলেন মিরাজ। সময়-সুযোগ করে উঠতে পারছিলেন না। অবশেষে সুযোগটা এলো। পাত্রী খুলনার সরকারি বিএল কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী রাবেয়া আখতার প্রীতি। দীর্ঘদিনের প্রণয়ের পর পরিণয়ে জড়ালেন মিরাজ ও প্রীতি। প্রায় ছয় বছর সম্পর্ক ছিল তাদের। গতকাল দুপুরে খুলনার খালিশপুরের কাশিপুর রাজধানী মোড় এলাকায় কনের বাড়িতে একেবারে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বিশ্বকাপের পর হবে মূল অনুষ্ঠান। এছাড়া আজ বাগদান সারবেন মোস্তাফিজুর। দেশ রূপান্তরের সাতক্ষীরা প্রতিনিধিকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন তার সেজো ভাই মোখলেসুর রহমান পল্টু। বিয়ের কনে মোস্তাফিজের আত্মীয়। তার মেজো মামার তৃতীয় মেয়ে সামিয়া ইয়াসমিন শিমু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী তিনি। মায়ের ইচ্ছা ও পরিবারের সম্মতিতেই মামাতো বোনের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন মোস্তাফিজ। আজ মেয়ের পরিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদানের জন্য মোস্তাফিজদের বাড়ি আসবে। বাগদান শেষে বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক করা হবে আসন্ন বিশ্বকাপের পর। বিয়ের অনুষ্ঠান প্রথমে হবে মোস্তাফিজের গ্রামের বাড়িতে আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে। পরবর্তী সময়ে বিসিবি খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, বন্ধুমহল ও শুভাকাক্সক্ষীদের নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
জাতীয় দল ক্রিকেটারদের বিয়ের তালিকায় আরও যুক্ত হচ্ছেন মুমিনুল হক। এই ব্যাটসম্যান অবশ্য কোনো কাজ বাকি রাখছেন না। আগামী ১৯ এপ্রিল বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাই সেরে ফেলবেন তিনি। কনে মিরপুর ডিওএইচএস নিবাসী ফারিহা বাশার। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী তিনি। বিয়ের প্রস্তুতি এরই মধ্যে শুরু করেছেন মুমিনুল।
এর আগে শনিবার উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অর্পার সঙ্গে জীবনের গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন সাব্বির। আকদ অনুষ্ঠান একদমই ঘরোয়াভাবে হয়।