কক্সবাজারে এক ঘণ্টার ব্যবধানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

কক্সবাজারে এক ঘণ্টার ব্যবধানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে কমপক্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের দুজনকে মাদক কারবারি আর অন্যজনকে ছিনতাইকারী দাবি করেছে পুলিশ।

শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে কক্সবাজার শহরের খুরুস্কুল ব্রিজের উত্তর পাশে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কোরবান আলী (২৫) নামের ও যুবক নিহত হন।

এসময় উপপরিদর্শক (এসআই) সহ পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি বন্দুকসহ তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

নিহত কোরবান আলী কক্সবাজার শহরের মোহাজেরপাড়া এলাকার মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে।

পুলিশের দাবি, কোরবান আলী পুলিশের তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারী, অস্ত্র ও পর্যটক হত্যা মামলার আসামি।

কক্সবাজার গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি টহল দল অভিযানে যায়।

এসময় পুলিশের একটি দল খুরুস্কুল ব্রিজের একটু উত্তরে পৌঁছালে পুলিশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে গুলিবর্ষণ করলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কোরবান আলীকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি বলেন, পুলিশ জানতে পেরেছে নিহত কোরবান আলী শহরের একজন চিহ্নিত ছিনতাইকারী, অস্ত্র ও পর্যটক হত্যা মামলার আসামি।

এর আগে ভোর ৩টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হন। নিহত দুজন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি বলে দাবি করেছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- টেকনাফ উপজেলার নাজিরপাড়া এলাকার আজহার মিয়ার ছেলে নূর মোহাম্মদ (৪০) এবং জালিয়াপাড়া গ্রামের আবদুশ শুক্কুরের ছেলে নুরুল আমিন (৩৫)।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, পুলিশের হাতে একদিন আগে আটক হওয়া ইয়াবা কারবারি নুর মোহাম্মদ ও নুরুল আমিনকে নিয়ে অভিযানে যায় টেকনাফ থানা পুলিশের একটি দল।

এ সময় টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া পাহাড়ি এলাকায় পৌঁছালে পুলিশের হাতে আটক আসামিদের কেড়ে নিতে একদল ইয়াবা কারবারি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।