ফরিদপুর সিঅ্যান্ডবি ঘাট নৌবন্দরের ব্যবসায়ীরা জিম্মি হয়ে পড়েছে মাওয়া ঘাট এলাকার দুটি জলদস্যু গ্রুপের হাতে। মুন্সীগঞ্জের বাইদের ট্যাক ও শরীয়তপুরের জাজিরা ও মাওয়া পুরান ঘাট এলাকায় জলদস্যুদের চাঁদা না দিয়ে কোনো পণ্যবাহী কার্গো-টলার ফরিদপুর সিঅ্যান্ডবি ঘাটে আসতে পারে না। এমন অভিযোগ নদীপথে যাতায়াতকারী নৌযানের মালিক-শ্রমিক সংগঠনের।
এই নৌরুটে চলাচলকারী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে বারবার সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সুফল আসেনি। প্রতিদিনই কোনো না কোনো স্থানে জলদস্যুরা ব্যবসায়ীদের নৌযানে হামলা করে অর্থ আদায় করে। মাঝে মাঝে শ্রমিকদের মারধর করে কাছে থাকা মোবাইল টাকা-পয়সা নিয়ে যায়। আবার নৌযান আটকে রেখে শ্রমিকদের বেঁধে রেখে মালিকপক্ষের কাছ থেকে বড় অঙ্কের চাঁদা নিয়ে তারপর ছেড়ে দেয়।
জলদস্যুদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ব্যবসায়ী ও ফরিদপুর সিঅ্যান্ডবি ঘাট নৌবন্দরের বাংলাদেশ কার্গো ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়ন এ বিষয়ে নৌপুলিশের মিরপুর ঢাকা-১ ডিআইজি, মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, মাওয়া ঘাট থেকে দেড় কিলোমিটার ভাটিতে বাইদের ট্যাক নামক স্থানে জলদস্যু রুবেল মাতুব্বর, মো. সাহাবুদ্দিন, আলামিন, মো. মাসুম, মো. আনোয়ারসহ অন্যরা এই রুটের সমস্ত নৌযান থেকে জোরপূর্বক চাঁদা নিচ্ছে। চাহিদামতো অর্থ না দিলে লোকজনকে পিটিয়ে কুপিয়ে আহত করছে তারা।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন, ‘অভিযোগের পর অভিযান অব্যাহত রেখেছি। আশা করছি দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।’