পুনরায় ভোট গণনার দাবি

ভোটে হেরে দুই নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর অনশন

ভোট গণনায় কারচুপি হয়েছে এ অভিযোগ এনে ফের ভোট গণনার দাবিতে নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে দ্বিতীয় দিনের মতো অনশনে বসেছেন পরাজিত দুই মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শাবানা বেগম ও শেফালী বেগম। গতকাল শুক্রবার অনশন অবস্থায় শাবানা অসুস্থ হওয়ার পর বাড়িতে নিয়ে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে বিকেল ৪টার দিকে তারা আবারও অনশনে বসেন। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে গত ১৮ মার্চ বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকের প্রার্থী পারুল বেগম ১৭ হাজার ১৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাবানা ফুটবল প্রতীক নিয়ে পান ১৭ হাজার ৫৩ ভোট। আর কলস প্রতীকের শেফালী পান ১১ হাজার ৭৮৭। ৪৭ হাজার ১৫৬ ভোট পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হন নৌকা প্রতীকের আতাউর রহমান।

শাবানা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ভোট গণনায় ব্যাপক কারচুপি হয়েছে। আমাদের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি ছিল। কিন্তু কোনো এক মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের দুজনকে হারিয়ে দিয়েছে। আমরা অবিলম্বে নির্বাচনের ভোট পুনঃগণনার দাবি করছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘দুজন প্রার্থীর সঙ্গেই কথা বলেছি। তারা ভোট গণনা করতে বলেছেন। কিন্তু গণনার ক্ষমতা আমার নেই। বিষয়টা দেখবে নির্বাচন অফিস।’

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আতাউল হক বলেন, ‘ভোট গ্রহণকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য মোতাবেক ভোট গণনা সঠিক হয়েছে। এখানে তাদের কোনো গাফিলতি হয়নি। অনশনকারী দুই প্রার্থীকেই বলেছি, আদালতের মাধ্যমে রায় নিয়ে আসতে পারলে পুনরায় ভোট গণনা সম্ভব। এছাড়া আমাদের কোনো ক্ষমতা নেই। কিন্তু তারা বিষয়টা না বুঝে অনশন চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছেন।’