ভারতের লোকসভা ভোটের মুখে ভুয়া এবং প্ররোচণামূলক ম্যাসেজ বন্ধ করতে কড়া মনোভাব দেখিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকার।
নতুন এই নিয়ম চালু হলে ম্যাসেজের মূল উৎস সম্পর্কে সরকার জানতে চাইলে তা জানাতে বাধ্য থাকবে সোশ্যাল মিডিয়াগুলি।
তবে সরকারের এই ধরনের যে কোনও উদ্যোগের বিরোধীতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে WhatsApp। তারা বলছে, এমন ব্যবস্থা চালু হলে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হবে।
WhatsApp-সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত ম্যাসেজের ওপর নজরদারি চালাতে চায় সরকার। এই সুযোগ পাওয়ার জন্য সংস্থাগুলোর ওপর চাপ বাড়াচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
আগামী ভোটের পরে এ নিয়ে নতুন গাইড লাইন জারি করতে চলেছে বলে সূত্রের খবর প্রকাশ হয়েছে। এই নির্দেশ অমান্য করলে সোশ্যাল মিডিয়াগুলিকে বড় অংকের জরিমানার মুখে পড়তে হবে।
অন্যদিকে WhatsApp-এর বক্তব্য, এমন দাবি মানলে এই প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বলে আর কিছু থাকবে না। আর ব্যক্তির ব্যক্তিগত গোপনীয়তা প্রকাশ করা প্রতিষ্ঠানের নীতির পরিপন্থী। তা ছাড়া ভারতে তাদের ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ব্যবস্থা শিথিল করলে সারা বিশ্বে অন্যান্য ব্যবহারকারীদের মাঝেও এর বিরূপ প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।