নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দুদিন আগে সংঘর্ষে ৮ জন গুলিবিদ্ধসহ ৩০ জন আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটেছে। এদিকে ৩১ মার্চ অনুষ্ঠেয় কবিরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচন গতকাল শুক্রবার নির্বাচন কমিশন স্থগিত ঘোষণা করেছে। জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কবিরহাট থানার ওসি মির্জা মোহম্মদ হাছান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কবিরহাটে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শিউলি একরামের সমর্থক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আলাবক্স টিটুর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় ৩০ জন আহত হয়। তাদের মধ্যে শটগানের গুলিতে আহত হন ৮ জন।
গুলিবিদ্ধরা হলেনÑ ইকবাল হোসেন (৪২), জয়নাল (৩৫), মুন্সী (৩০), হাসান (১৮), ইব্রাহিম খলিল (৪০), সোহেল (৩২), ফজলুল হক (৩১), শরীফ (২৯)। তাদের মধ্যে ইকবাল হোসেন ও ইব্রাহিম খলিলকে ঢাকায়
পাঠানো হয়। গুলিবিদ্ধ বাকি ৬ জন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আলাবক্স টিটুর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার আনারস প্রতীকের সমর্থনে কবিরহাট জিরো পয়েন্ট থেকে মিছিল বের হলে বিপরীত দিক থেকে সদর আসনের সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে সাবাব চৌধুরীর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা তার (টিটু) মিছিলে গুলিবর্ষণ করে। এতে তার সমর্থক ওই ৩০ জন আহত হন।
তবে সাবাব চৌধুরীর মা আওয়ামী লীগের প্রার্থী শিউলি একরাম এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার প্রতিপক্ষ নির্বাচন ভুল করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ করে যাচ্ছেন।