বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে এগিয়ে আসছে। বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। আগামী ১৫ বছরে এখানে এক কোটির বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। অতিরিক্ত রপ্তানি আয় হবে ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গত বুধবার জেনেভায় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সদর দপ্তরে বাংলাদেশের পঞ্চম ট্রেড পলিসি রিভিউর প্রথম সভায় বাংলাদেশের বাণিজ্য, শিল্প, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ও সংস্কারসমূহ তুলে ধরতে গিয়ে এসব কথা বলেন। ডব্লিউটিও ট্রেড পলিসি রিভিউ বডির চেয়ারম্যান অ্যাম্বাসেডর টিহাংকির সভায় সভাপতিত্ব করেন।
টিপু মুনশি আরও বলেন, ডব্লিউটিওর পরামর্শ অনুযায়ী বিশ^ বাণিজ্যে সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। রপ্তানি বাণিজ্যে বাংলাদেশ সুনামের সঙ্গে এগিয়ে চলছে। গত অর্থবছর বাংলাদেশে প্রায় ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। ২০২১ সালে রপ্তারি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬০ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ এরই মধ্যে এলডিসি থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশের প্রথম ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করেছে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। তখন বিশ^ বাণিজ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়নশীল বাংলাদেশের জন্য ডব্লিউটিওর সহযোগিতা প্রয়োজন হবে যোগ করেন টিপু মুনশি। মন্ত্রী বলেন, ট্রিপস চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুবিধা বাংলাদেশের প্রয়োজন। ২০৩৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এলডিসিভুক্ত দেশগুলো এ সুবিধা পাবে। এখানে ব্যবসা পরিচালনায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ এখন পেপারলেস ট্রেডে সক্ষমতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ডব্লিউটিওর পেপারলেস ট্রেড পলিসি চুক্তিতে প্রথম স্বাক্ষরকারী দেশ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ভিশন-২০২১’ ঘোষণা করেছেন। ২০২১ সালের আগেই ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হবে। ২০৪১-এ বাংলাদেশ হবে বিশে^র উন্নত দেশ।