ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. আমির হোসেনের গাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রাম পুলিশ সদস্য বানু দাস (৪৫) নিহত হয়েছেন। তবে এসময় গাড়িতে ছিলেন না ভাইস চেয়ারম্যান আমির হোসেন।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে আশুগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুর-তালশহর সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. আমির হোসেন বলেন, “সন্ত্রাসীরা আমাকে ও আমার বাবাকে মারতে এসেছিল। আমরা গাড়িতে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যাই।”
ঘটনার তদন্ত চলছে জানিয়ে আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাসুদ আলম বলেন, এখানে অন্য কোনো রহস্য আছে কিনা তা যাচাই না করে বলা যাবে না।
জানা গেছে, সকাল পৌনে ১০টার দিকে খাটিহাতা বিশ্বরোড এলাকায় পাম্প থেকে গ্যাস আনতে যাচ্ছিলেন গাড়িচালক। বাহাদুরপুর-তালশহর সড়কের সামনে পৌঁছার পর ৭/৮ জন সন্ত্রাসী গাড়ি থামিয়ে চালককে টেনে হিঁচড়ে নামায়।
এসময় গাড়িতে থাকা গ্রাম পুলিশ বানু চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করলে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীরা তাক গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান আমির হোসেন।
আশুগঞ্জ থানার ওসি মো. মাসুদ আলম বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে। তবে এখানে অন্য কোনো রহস্য আছে কিনা তা যাচাই না করে বলা যাবে না।