পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় শীর্ষস্থান অর্জন করলেও এখাতের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সাসটেইনবল অ্যাপারেল সামিট ২০১৯-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা না হলে স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হবে। তাই সম্মানজনক মজুরির পাশাপাশি শ্রমিকদের স্বাস্থ্য রক্ষার বিষয়টিও জরুরি।
মন্ত্রী বলেন, রানা প্লাজার ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক হলেও এটি কিছু সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক কার্যক্রম গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনার পর সচেতনতা বেড়েছে। ফলে এখন শ্রমিকদের নিরাপত্তাসহ সামগ্রিক স্বার্থ সংরক্ষণে আরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন জারন স্টিগস জারন স্টিগস সামিটে বলেন, পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য টেকসই উন্নয়ন অপরিহার্য। কারণ এই শ্রমিকের বেশির ভাগই নারী। বাংলাদেশে এই খাতই অনগ্রসর নারীদের অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে সক্ষম হয়েছে। তাই টেকসই অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য এই নারী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) বাংলাদেশের বেটার ওয়ার্ক প্রোগ্রাম ম্যানেজার অ্যানি লর হ্যানরি গিয়ার্ড।