বিমানে ক্যাডেট পাইলট নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে বিমান পরিচালনা পর্ষদ। গত মঙ্গলবার রাতে বিমান সদর দপ্তর বলাকায় পর্ষদ সভায় আলোচনার এক পর্যায়ে এ অনিয়মের বিষয়ে বিমানের এমডি মোসাদ্দিক আহম্মদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। তিনি এর কোনো সদুত্তর দিতে না পারায় পাইলট নিয়োগ বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। তবে বিষয়টি চূড়ান্ত করার জন্য আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তাদের প্রতিবেদন পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, পর্ষদ সভায় জানানো হয় বিমানের বর্তমান এমডির মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২৫ মে। দ্রুত নতুন এমডি নিয়োগ চূড়ান্ত করারও সিদ্ধান্ত হয় সভায়। এ ছাড়া বিমানের ভারপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার আতিক সোবহানকে পদোন্নতি দিয়ে পরিচালক (গ্রাহক সেবা) করা এবং হজের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বি-৭৩৭ এবং ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজ চালানোর জন্য ৩১টি শূন্য পদে ক্যাডেট পাইলট নিয়োগ করে বিমান। ভাতিজা মোক্তাদির আহম্মদকে চাকরি দিতে বিমানের এমডি ও সিইও এএম মোসাদ্দিক আহম্মদ এ নিয়োগে ১৩ ধরনের অনিয়ম করেছেন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তাতে সংশোধনী এনে শিক্ষাগত যোগ্যতা হ্রাস করেন। এই সুযোগে এমডির ভাতিজাসহ ৩০ জন আবেদন করেন। তাদের মধ্যে ১৩ জনই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। দেশ রূপান্তরের অনুসন্ধান এবং তদন্ত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। দেশ রূপান্তরে গত ৮ এপ্রিল এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে।