নোয়াখালীতে ষাটোর্ধ্ব প্রতিবেশীর দ্বারা ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ

নোয়াখালীর সেনবাগের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মধ্যম করিমপুরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে (১০) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে ৬০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে।

ধর্ষণের শিকার স্কুল-ছাত্রীকে গুরুতর অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সেনবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধর্ষককে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ধর্ষিতা ছাত্রীর নিরাপত্তায় হাসপাতালে পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে।

স্কুল ছাত্রীর মা জানায়, প্রতিদিনের মত মঙ্গলবার বিকেলে তার মেয়ে (১০) বান্ধবীদের সাথে খেলতে পাশের বাড়ির উঠানে যায়। এ সময় ওই বাড়ির আবুল বাশার (৬০) উঠান থেকে ডেকে তার ঘরের ভেতর নিয়ে যায় এবং মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে।

হাসপাতালের বিছানায় থাকা নির্যাতনের শিকার স্কুল-ছাত্রী জানায়, পাশের বাড়িতে খেলতে গেলে ওই বাড়ির আবুল বাশার তাকে তার ঘরে ডেকে নেয় এবং মুখ চেপে ধরে তার জামা ও পায়জামা খুলে ফেলে ধর্ষণ করে। এবং এই ঘটনা প্রকাশ না করার ভয় দেখায়।

বাড়ি গিয়ে শিশুটি ভয়ে কাউকে কিছু বলেনি। পরদিন অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে রাত ১২.৩০ টায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে গাইনী ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়।

সেনবাগ থানার ওসি তদন্ত আবদুল আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ভিকটিমের পিতা এ ব্যাপারে বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম জানায়, আসামি গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জাকারিয়া বলেন, ৩ সন্তানের জননীর পর ৬ সন্তানের জননী তারপর দু’সন্তানের জননী এবং ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। নোয়াখালীতে এরপর কে ধর্ষিতা হয় তা দেখার বিষয়। তিনি বলেন, এসব মামলায় আইনগত সহায়তা দেওয়ার জন্য একটি আইনজীবী প্যানেল করা হয়েছে।