জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এ বি এম সুমন। সম্প্রতি দুটি ওয়েব সিরিজেও অভিনয় করেছেন। প্রস্তুতি চলছে নতুন আরও দুটি চলচ্চিত্রের। তবে আলোচনায় এসেছেন চর্চিত সিনেমা ‘মিশন এক্সট্রিম’-এ চুক্তিবদ্ধ হয়েও ছেড়ে দেওয়ার কারণে। তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ
‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েও ছেড়ে দেওয়ার কারণ কী?
আমি আসলে কোনো কাজ শুরু করার আগে কাউকে জানাই না। এই সিনেমাটির ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সম্প্রতি এই সিনেমা-সংক্রান্ত কিছু নিউজে আমার নাম দেখতে পেলাম। তাই এখন এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে হচ্ছে। আসলেই আমি সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম। কিন্তু যখন স্ক্রিপ্ট শুনি, তখন বুঝতে পারলাম ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এর মতো চরিত্র এটি নয়। এতে আমার করার কিছুই নেই। মূলত চরিত্র পছন্দ না হওয়ায় ‘মিশন এক্সট্রিম’ ছেড়ে দিয়েছি।
নতুন কাজের খবর কী?
নতুন দুটি সিনেমায় অভিনয়ের চূড়ান্ত কথাবার্তা হয়েছে। দুটি দুই ঘরানার সিনেমা। একটি অ্যাকশনধর্মী আর অন্যটি থ্রিলারধর্মী। একটিতে চুক্তিবদ্ধও হয়েছি। শ্যুটিং শুরু হবে জুনের শুরুর দিকে। তবে সিনেমার নাম, পরিচালকের নাম, সহশিল্পী বা গল্প নিয়ে কিছুই বলার অনুমতি নেই। কাজ শুরু হলে সবাই জানতে পারবেন।
মুক্তির অপেক্ষায় আছে আপনার ‘বিউটি সার্কাস’ সিনেমাটি...
হ্যাঁ, অনেক আগেই এই সিনেমার পুরো কাজ শেষ হয়েছে। দারুণ একটি সিনেমা নির্মাণ করেছেন মাহমুদ দিদার। গল্প যেমন ভালো, অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও তুখোড়। কাজ করেছেন জয়া আহসান, তৌকীর আহমেদ ও ফেরদৌস আহমেদের মতো বড় জনপ্রিয় তারকারা। আমি সিনেমাটি নিয়ে খুবই আশাবাদী। এতে আমি একজন সীমান্তবর্তী এলাকার বাউন্ডুলে একটি ছেলে। খুবই নোংরা, উস্কখুস্ক একটি চরিত্র। বাস্তব আমির চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি চরিত্র। তাই চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজটি করেছি। রোদে পুড়ে গায়ের রং কালো করেছি, চুল-দাড়ি লম্বা করেছি। আরও অনেক খাটুনি ছিল। তবে দর্শক গ্রহণ করলে আর কোনো কষ্টই থাকবে না।
দুটি ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন। অভিজ্ঞতা কেমন?
বেশ ভালো অভিজ্ঞতা। কাজ করতে বেগ পেতে হয়নি। কারণ ‘নীল দরজা’র নির্মাতা গোলাম সোহরাব দোদুল আর ‘ধোঁকা’র পরিচালক অনন্য মামুন, দুজনই দক্ষ পরিচালক। বাজেট, গল্প, লোকেশন ভালো ছিল। নীল দরজা এরই মধ্যে বায়োস্কোপ অরিজিনালসে মুক্তি পেয়েছে। একটি ক্রিমিনাল দলের প্রধান হিসেবে দর্শক আমাকে গ্রহণ করেছেন। বিদ্যা সিনহা মিম করেছেন হ্যাকারের চরিত্র, চঞ্চল চৌধুরী ছিলেন ব্লগার। আর ‘ধোঁকা’তে আমি সাসপেন্ডেন্ট একজন আর্মি অফিসার। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে গিয়ে আরও ট্রাপে পড়তে হয় আমাকে। এতে আরও আছেন আইরিন, আঁচল, ইমতু, সাঞ্জু জন প্রমুখ।
প্রেম-বিয়ে নিয়ে জানতে চাই...
আমি এখন অবিবাহিত। ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে এর বেশি কিছু বলার ইচ্ছা নেই।