সীতাকুন্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের শীতলপুর গ্রামে সৎ ভাইদের মধ্যে বিদ্যমান সম্পত্তির বিরোধের জেরে ২০টি ভাড়া ঘর ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে একপক্ষ। শুক্রবার আদালতে বিচারাধীন জায়গার উপর থাকা বসতঘর এক পক্ষ শতাধিক লোকজন নিয়ে গুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, শীতলপুর মৌজার বিএস ২০৬১ দাগে আবুল হাশেমের নামে ৫২ শতক ও আবদুর রউফের নামে রয়েছে ২৮ শতক।
মৌখিক বণ্টক মতে, দুই পক্ষ আলাদা আলাদা দখলে স্থিত আছে। আবদুর রউফের দুই সংসারের সন্তানদের মধ্যে সম্পত্তির বিরোধ দীর্ঘদিনের যা আদালতে বিচারাধীন।
প্রথম পক্ষের সন্তানেরা চাচা আবুল হাশেমের জায়গায় ঘর তুলে ভাড়া দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু সম্পূর্ণ জায়গা বণ্টক না হওয়ায় ২য় পক্ষের সন্তানেরা উক্ত ভাড়া ঘর নিজেদের দাবি করে অতর্কিতে ভাঙচুর করে ট্রাক ভর্তি করে ঘরের টিন ও কাঠ নিয়ে যায়।
এ সময় অর্ধ শতাধিক গাছও কর্তন করা হয়। এতে ১ম পক্ষের সন্তান নুর তসলিম বাধা দিতে গেলে মারধরের অভিযোগ করেন তিনি।
উচ্ছেদকৃত ভাড়াটিয়া শফিউল আলম ও রোকেয়া বেগম বলেন, “পূর্ব নোটিশ না দিয়ে ভাঙচুর করায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমাদের মত অনেক ভাড়াটিয়া ক্ষতির সম্মুখীন।”
নুর তসলিম বলেন, “ওরা আমাদের বাবাকে আটকে রেখে সব সম্পদ স্থগিত করেছে। চাচার দয়ায় ঘর তুলে আমরা জীবিকা নির্বাহ করতেছি তারা এই ঘরগুলোও ভেঙে দিয়েছে।”
অভিযুক্ত বাবলু বলেন, “আমাদের জায়গা থেকে আমরা ঘর উচ্ছেদ করেছি।” আদালতে রায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।
এই ঘটনার পর আদালতের আদেশের কপি নিয়ে থানায় অভিযোগ করেন নুর তসলিম।
এসআই আবদুল হালিম বলেন, “পক্ষদ্বয়কে ১৪৫ ধারা অনুযায়ী আদালতের আদেশ মেনে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছে।”