ভুটানের রাজনীতিতে তার উত্থান অনেকের মাঝে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। কিন্তু এবার তিনি বাংলাদেশেও বহুল আলোচিত ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছেন। তিনি ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং। বাংলাদেশ থেকে এমবিবিএস ও এফসিপিএস করে দেশে ফিরে গিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি। পহেলা বৈশাখে তিনি ঘুরে গেলেন বাংলাদেশে। অত্যন্ত সুন্দর ও বাংলায় দেওয়া তার ভাষণ শুনে এদেশে অনেকেই তার ভক্ত হয়ে গেছেন। লোটে শেরিংয়ের জীবনের অজানা অনেক অধ্যায় নিয়ে লিখেন লায়লা আরজুমান্দ
সুখী দেশে জন্ম
বিশ্বের একমাত্র কার্বন নেগেটিভ দেশ ভুটান। অর্থাৎ বায়ুম-লে কার্বন ডাই-অক্সাইড যোগ করার বদলে আরও কমাচ্ছে দেশটি। এই দেশের প্রায় ৭২ শতাংশই বনভূমি। অনেকেই মনে করে এটি পৃথিবীর সুখীতম দেশ। ১৯৬৮ সালে সেই দেশের রাজধানী থিম্পুর মেয়ং গেয়খ অঞ্চলের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন লোটে শেরিং। জন্মগতভাবেই তিনি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। প্রাথমিক শিক্ষাজীবন তিনি সেখানেই কাটিয়েছেন। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন ভীষণ মেধাবী। ১৯৯১ সালে চোখে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে তিনি প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পড়তে আসেন। ২০০১ সালে তিনি এমবিবিএস ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরে পিজি হাসপাতাল (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) সার্জারি বিভাগে এফসিপিএস কোর্স শেষ করেন ২০০৭ সালে। তারপর ভুটান ফিরে যান ডা. লোটে শেরিং। তবে পড়াশোনা তিনি চালিয়ে গেছেন। এরপর তিনি ইউরোলজির ওপর উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন মেডিকেল কলেজ অব উইসকনসিন থেকে। যেটি কিনা ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের আন্ডারে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরপর তিনি নিজ দেশ ভুটানে ফিরে আসেন। এবং একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইউরোলজিস্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর তিনি ২০১০ সালে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে এন্ডোইউরোলজিতে ফেলোশিপ অর্জন করেন। ডাক্তারির পাশাপাশি তিনি এমবিএ ডিগ্রিও গ্রহণ করেন। আর সেটি তিনি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরা থেকে।
ব্যক্তিগত জীবন
লোটে শেরিংয়ের ব্যক্তিগত খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায় না। তবে তিনি নিজে একজন চিকিৎসক ছিলেন বলে জীবনসঙ্গী হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন আরেক চিকিৎসককে। তার স্ত্রীকে ডাকা হয় মিসেস শেরিং নামে। এই দম্পতির ঘরে জন্ম নেয় এক মেয়ে। এ ছাড়া তারা যখন মংগারা হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, সে সময় তারা দত্তক নিয়েছিলেন আরও দুই সন্তানকে। তাদের মধ্যে একজন ছেলে আর একজন মেয়ে। তিনি টানা ১১ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন থিম্পুর জাতীয় হাসপাতালে। একসময় তিনি প্রবেশ করেন রাজনীতিতে। মানুষকে নিয়ে ভাবনা থেকে তার রাজনীতিতে আসা। আর এই রাজনীতির কারণে চাকরি ছাড়েন। তবে চাকরি ছাড়লেও চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যান তিনি। এই চিকিৎসা পেশার জন্যই তিনি সাধারণ মানুষের কাছাকাছি আরও বেশি করে আসতে পেরেছেন।
রাজনৈতিক উত্থান
শেরিংয়ের রাজনৈতিক উত্থান চমকপ্রদ। মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই তিনি তার দলকে শীর্ষ পর্যায়ে নিয়ে আসেন। বাংলাদেশ থেকে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পর ২০১৩ সালে রাজনীতিতে সক্রিয় হন শেরিং এবং মধ্য-বামপন্থি দল ডরুক নাইয়ামরুপ শোগপা (ডিএনটি) দলে যোগদান করেন। ২০১৩ সালে ডিএনটির প্রার্থী হয়ে প্রথমবারের মতো ভুটানের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেন শেরিং। কিন্তু ওই নির্বাচনে তার দল প্রথম রাউন্ডেই হেরে যায়। এতে দমে না গিয়ে পরবর্তী নির্বাচনের জন্য দলকে গোছাতে থাকেন। দলের ব্যর্থতা তাকে গণমানুষের আরও কাছে পৌঁছে দেয়। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ থেকে ঋণের বোঝা দূর করার অঙ্গীকার করে নতুন করে দলের জনপ্রিয়তা বাড়াতে সক্ষম হন। ফলে তিনি নিজ দলের মধ্যে প্রথম সারির নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন।
২০১৮ সালের ১৪ মে অনুষ্ঠিত হয় ডরুক নাইয়ামরুপ শোগপা (ডিএনটি)-এর দলীয় প্রধান হওয়ার নির্বাচন। ওই নির্বাচনে ১ হাজার ১৫৫ ভোট পেয়ে দলের শীর্ষ নেতা নির্বাচিত হন শেরিং। সে সময় ভুটানের তৃতীয় জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আর মাত্র ৫ মাস বাকি। দলের প্রধান নির্বাচিত হওয়ায় তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ও অর্থনীতি চাঙ্গা করতে সব দলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। হিমালয় পাদদেশে ৮০ লাখ মানুষের দেশ ভুটানে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি।
জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে থিম্পুর আসনে ডিএনটি দল থেকে নির্বাচিত হন শেরিং। ওই নির্বাচনে তার দল ডিএনটিও বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। দেশটির পার্লামেন্টের ৪৭ আসনের মধ্যে ডিএনটি জয়লাভ করে ৩০টি আসনে। ফলে ডিএনটি দল থেকে প্রথম এবং দেশের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ খুলে যায় শেরিংয়ের জন্য। অবশেষে ৭ নভেম্বর ২০১৮ সালে তিনি ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। রাজনীতিতে যোগদানের মাত্র পাঁচ বছরের মাথায় হিমালয়ের পাদদেশ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হওয়াকে অনেকেই অবিশ্বাস্য উত্থান বলে মনে করেন।
তার দল প্রতিজ্ঞা করেছে ভুটানকে নতুন করে গড়ে তোলার। তাদের মূল লক্ষ্য দেশের কাঁধ থেকে বিদেশি ঋণের বোঝা নামানো, বেকারত্বের হার কমিয়ে আনা, সন্ত্রাসবাদ দমন। এছাড়া বর্তমানে ভুটানের গ্রামাঞ্চলগুলোতে দারিদ্র্যতা দেখা দিচ্ছে। সেগুলো মোকাবেলা করাই তার সরকারের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। এসব কারণেই হিমালয় পাদদেশে ৮০ লাখ মানুষের দেশ ভুটানে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ডিএনটি। নিজের রাজনৈতিক স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে শেরিং বলেন, ‘আমি চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এসেছি। কিন্তু আমার পেশাকে ছাড়তে পারিনি। ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আমি চাকরি না করে, বিদেশে না গিয়ে ভুটানের মানুষকে নিয়ে ভেবেছি। তাদের বুঝতে চেষ্টা করেছি। তাদের নিয়ে কাজ করেছি। তাই আজ আমি ভুটানের প্রধানমন্ত্রী।’
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কৃতিত্ব
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পেছনে পুরো কৃতিত্ব ডা. লোটে শেরিং দিয়েছেন তার কেবিনেটের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. টান্ডি দরজিকে। তার সঙ্গে দরজিও পড়েছেন ময়মনসিংহ মেডিকেলে। তার থেকে চার ব্যাচ সিনিয়র ছিলেন টান্ডি। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তারা দুজন কলেজ ছাত্রাবাসে একসঙ্গে থেকেছেন। এখনো তারা একসঙ্গে রয়েছেন এবং একসঙ্গে রাজনীতি করছেন। তাদের মাঝে আজ অবধি কোনো মনোমালিন্য হয়নি। দ্বিধাহীন কণ্ঠে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ তার কারণেই আমি প্রধানমন্ত্রী হয়েছি।’
রোগী দেখেন নিয়মিত
তিনি ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি একজন চিকিৎসকও। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেও তিনি চিকিৎসাসেবা দেওয়া বন্ধ করেননি। নিয়মিতই রোগী দেখছেন। যাচ্ছেন হাসপাতালে। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে রাউন্ড দেন। শিক্ষানবিস চিকিৎসকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেন। ভুটান ব্রডকাস্টিং সার্ভিসকে (বিবিএস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি চিকিৎসক হয়ে জন্মাইনি। কিন্তু আমি একজন চিকিৎসক হয়ে মারা যেতে চাই।’
‘কোনোকিছুর জন্যই আমি আমার প্র্যাকটিস ছাড়ব না। আজ আমি যা (প্রধানমন্ত্রী) তার সব কিছুই সম্ভব হয়েছে এই চিকিৎসক পেশার জন্যই। এমনকি আজ সকালেও আমি রোগী দেখেছি। প্রতি বৃহস্পতি ও শনিবার আমি অপারেশনও করব নিয়মিত।’
নেপালের পাশে
২০১৫ সালে রিখটার স্কেলে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প নেপালের রাজধানীসহ পুরো কাঠমান্ডু উপত্যকাকে তছনছ করে দিয়েছিল। এই ভূমিকম্পে প্রাণ হারায় হাজার হাজার মানুষ। আহত হয় আরও অনেকে। নেপালের বহু ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান এই ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়। বহু মানুষ এই ভূমিকম্পে গৃহহীন হয়। নানা ধরনের অস্থায়ী ক্যাম্প তৈরি করে তারা বসবাস করতে থাকে। দেশটির এমন দুর্যোগময় অবস্থায় অন্যান্য দেশের মতো তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল ভুটান। সেই সময় ভুটান থেকে ৩৭ জনের একটি মেডিকেল টিম গিয়েছিল নেপালে। সেই দলের টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর ও প্রধান সার্জন ছিলেন লোটে শেরিং। দিয়েছেন অনেক চিকিৎসাসেবা। করেছেন অনেক অপারেশন। শুধু নেপাল নয়, নিজের দেশেও তিনি সাধারণ মানুষের সেবার জন্য ঘুরে বেড়িয়েছেন প্রত্যন্ত অঞ্চলে। ছুটে বেড়িয়েছেন নানা জায়গায়। নিরহংকারী এই মানুষটি মিশেছেন নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে। বলা হয়ে থাকে শেরিংয়ের আজকের এই জনপ্রিয়তার পেছনের অন্যতম কারণও এটি।
স্মৃতির টানে বাংলাদেশে
এমবিবিএস পাস করে মমেক ছেড়েছিলেন ১৯৯৯ সালে। ২০ বছর পর নিজের সেই পীঠস্থানে আবার এসেছেন। তবে শুধু চিকিৎসক বা সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবেই নয়; ফিরলেন একেবারে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হয়ে। বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করেছেন, স্মৃতিচারণা করেছেন, আড্ডা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হলেও তিনি বন্ধুদের অনেকের নামই মনে রেখেছেন। অনেককেই তিনি ডেকেছেন নাম ধরে। বন্ধুদের সঙ্গে উদযাপন করেছেন বাংলা নববর্ষ। তবে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, তিনি কথা বলেছেন অনর্গল বাংলায়। ভবিষ্যতের চিকিৎসকদের ‘রোগীর বন্ধু’ হওয়ার সুপরামর্শও দিয়েছেন। বলেছেন, ভালো চিকিৎসক হওয়ার চেয়েও জরুরি ভালো মানুষ হওয়া।
হারাতে বসেছিলেন জীবন
বাংলাদেশে পড়াকালীন একবার তার জীবন হারাতে বসেছিলেন। সেই বিভীষিকাময় পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়েছেন তিনি নিজেই। তিনি বলেন, চতুর্থ বর্ষেই জীবন বিপন্ন হতে বসেছিল। তখন তিনি চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। থাকতেন কলেজ ছাত্রাবাসের ওয়েস্ট ব্লকের ২০ নম্বর কক্ষে। একদিন রাতে হঠাৎ পেট ব্যথা অনুভব করলেন। সঙ্গে ছিলেন তার হলের সিনিয়র বন্ধু ডা. সিলভা রাজত। সেই রাতে তিনি তিনবার বমি করেছিলেন। পরের দিন ভোরে ডা. সিলভা রাজত তাকে হাসপাতালের আউটডোরে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে আবাসিক চিকিৎসককে রোগের লক্ষণগুলো বলার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু সেই আবাসিক চিকিৎসক তার কথা ঠিকমতো না শুনে তাকে ওষুধ দিয়ে দিলেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি নেই ওষুধে। এরপর দিন তিনি আবার সেই চিকিৎসকের কাছে গেলেন। সেই চিকিৎসক তাকে পরামর্শ দিলেন হাসপাতালে ভর্তি হতে। তারপর দীর্ঘ সময় অন্য চিকিৎসকরা রাউন্ডে এলেও তার কাছে কেউ আসেননি। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যার সময় আমি স্পষ্ট মনে করতে পারছি একজন ভদ্রলোক বললেন, আরে এই ছেলেটা এভাবে পড়ে আছে কেন? কতদিন ধরে এভাবে আছে? এটা তো অ্যাপেনডিসাইটিস। এটা তো ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। ব্যাপারটা আমাদের সঙ্গে আলোচনা করলেই হতো। তার দ্রুত অস্ত্রোপচার দরকার।’ সেই চিকিৎসক তাকে আশ্বস্ত করলেন, ‘চিন্তার কোনো কারণ নেই। তুমি নিশ্চিত থাকো, তোমার কোনো সমস্যা হবে না।’ সেদিন রাতে তার অপারেশন হয়। এর কিছু দিন পর তিনি সুস্থ হয়ে আবারও ক্লাসে ফেরেন।
এবারের পহেলা বৈশাখ তিনি রাঙিয়েছেন অন্যভাবে। সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে লোটে শেরিং বাংলায় বলেন, ‘আপনাদের সবাইকে আমার মন থেকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আপনারা পান্তা ভাত খাইয়েছেন? আমি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করার পর ঢাকায় এফসিপিএস করেছি। আসলে আমার মন উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত অনুভব করছে, কখন ময়মনসিংহ যাব।’
একনজরে
১৯৬৮ সালে জন্ম
১৯৯৯ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি গ্রহণ
২০০৭ সালে এফসিপিএস ডিগ্রি অর্জন
২০১০ সালে এন্ডোইউরোলজিতে ডিগ্রি গ্রহণ
২০১৩ সালে প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নেন
২০১৮ সালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন
কিছু তথ্য
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইউরোলজিক্যাল সার্জন হিসেবে তিনি ভুটানে প্রথম।
তার কোনো ডে অফ নেই।
স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রায়ই তাকে দেখা যায় টিভির পর্দায়।
হাসপাতালের বাইরেও তিনি রাজপরিবারের চিকিৎসা দলের একজন সদস্য।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি প্রেরণা নেন মাদার তেরেসার জীবনী থেকে।
সরকারি চাকরি থেকে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন।
নির্বাচনের ঠিক মাত্র পাঁচ মাস আগে তিনি দলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেও তিনি রোগী দেখেন নিয়মিত।