পায়রা সমুদ্র বন্দর

টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পে পরামর্শক নিয়োগে চুক্তি

‘পায়রা সমুদ্র বন্দরের প্রথম টার্মিনাল ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ’ প্রকল্পে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের জন্য রাজধানীতে চুক্তি হয়েছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গতকাল প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং কোরিয়ার তিনটি কোম্পানির (জয়েন্ট ভেঞ্চার) মধ্যে এই চুক্তিপত্র স্বাক্ষর হয়। কোম্পানি তিনটি হচ্ছে কুনহা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনসাল্টিং কোম্পানি লিমিটেড, দায়েইয়ং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড ও হেরিম আর্কিটেক্টস অ্যান্ড প্ল্যানার্স কোম্পানি লিমিটেড।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদের উপস্থিতিতে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন পায়রা

বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

কমডোর এম জাহাঙ্গীর আলম, কুনহা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনসাল্টিংয়ের প্রেসিডেন্ট জিয়ং লানোহ, দায়েইয়ং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিচালক দায়ে জিনকিম ও হেরিম আর্কিটেক্টস অ্যান্ড প্ল্যানার্সের কান্ট্রি ম্যানেজার ইউন স্যাঙজো।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সরকার মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় ২০২১ সালের মধ্যে পায়রা বন্দরের জন্য ছয়টি বার্থসহ কমপক্ষে দুটি টার্মিনাল নির্মাণ এবং ১০ দশমিক ৫০ মিটার গভীরতার চ্যানেল সংরক্ষণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ পরিকল্পনার আওতায় ‘পায়রা সমুদ্র বন্দরের প্রথম টার্মিনাল এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ’ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে একনেক সভায় ৩ হাজার ৯৮২ দশমিক ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

পরামর্শকের কাজগুলো একটি একক টিমের সঙ্গে কয়েকটি সাব-টিমের মাধ্যমে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা হবে। কুনহা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনসাল্টিং (লিড পার্টনার), দায়েইয়ং ইঞ্জিনিয়ারিং (পার্টনার) ও হেরিম আর্কিটেক্টস অ্যান্ড প্ল্যানার্স (পার্টনার) মূল পরামর্শক এবং বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান সিমবায়োটিক আর্কিটেক্টস সাব-পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে। দেশের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের ফলে বন্দরের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় পায়রা সমুদ্র বন্দর উদ্বোধন করেন।