চলে গেলেন অভিনেতা সালেহ আহমেদ

চলে গেলেন জনপ্রিয় অভিনেতা সালেহ আহমেদ। গতকাল বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সালেহ আহমেদের বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। তিনি দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

সালেহ আহমেদের মামাতো ভাই আহসানুল হক মিনু জানান,  ২০১১ সালে ব্রেন স্ট্রোক করে শয্যাশয়ী হন তিনি। এরপর তার চিকিৎসার খরচ বহন করতে হিমশিম খায় পরিবার। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সালেহ আহমেদের চিকিৎসার জন্য ২৫ লাখ টাকা সহায়তা দেন। সেই টাকাতেই এত দিন চিকিৎসা চলছিল সালেহ আহমেদের।

তিনি দেশ রূপান্তরকে আরো বলেন, ‘সপ্তাহখানেক আগে হঠাৎ করেই মাইল্ড স্ট্রোক করেন। তারপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ছাড়া ফুসফুসে পানি জমেছিল, কিডনিতেও সমস্যা দেখা গিয়েছিল। বুধবার সকাল থেকে অবস্থার অবনতি হতে থাকে। দুপুর আড়াইটার দিকে মৃত্যুবরণ করেন।’

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার উত্তরখানে জানাজা শেষে সেখানেই কবরস্থানে দাফন করা হবে তাকে।

সালেহ আহমেদের জন্ম বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে চাকরির পাশাপাশি ময়মনসিংহে অমরাবতী নাটমঞ্চের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এই অভিনেতা। স্বাধীনতার আগে বিটিভিতে তিনি নিয়মিত অভিনয় করতেন। ১৯৯১ সালে অবসরে যাওয়ার পর হুমায়ূন আহমেদের নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন।

ধারাবাহিক ‘অয়োময়’ নাটক ও ‘আগুনের পরশমণি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয় জগতে তার দাপুটে পদচারণা শুরু হয়। এরপর অসংখ্য টিভি নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন স্বাধীনতা পদক।