কারাগারে থেকে ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে অবহেলার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কারা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা জানিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার কারা অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। তিনি আরও বলেন, ফেনী জেলা কারাগারটি দুই মাস আগেই নতুন ভবনে স্থানান্তর হয়েছে। সেখানে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ছিল না। সেখানে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ চলেছে।
মোস্তফা কামাল পাশা বলেন, ‘কারাগারের ধারণক্ষমতা ৪০ হাজার। অথচ সেখানে বন্দি থাকে ৯০ হাজারের বেশি। মানুষ যাতে বিনা বিচারে কারাগারে না থাকে সে জন্য কয়েকটি বেসরকারি সংস্থাকে সঙ্গে নিয়ে কাজ চলছে। যাদের কোনো আইনীজীবী নেই তাদের আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কারাগারে চিকিৎসক মাত্র ১০ জন। কারাগারে থাকা জঙ্গিদের বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক।’
খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকা সহকারীর বিষয়ে জানতে চাইলে আইজি প্রিজন বলেন, আদালতের নির্দেশে ওই সহকারীকে রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে তার মানবাধিকারের বিষয়টি দেখা উচিত। ছয় মাস পরপর সহকারী পরিবর্তন করা যায় কি না তা সংশ্লিষ্টদের ভেবে দেখতে বলেন।
বাংলাদেশ অবজারভার সম্পাদক ও ডিবিসি নিউজ চ্যানেলের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী, দৈনিক জাগরণের সম্পাদক আবেদ খান, এনটিভির হেড অব নিউজ খায়রুল আনোয়ার মুকুল, প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান, সারাবাংলা ও জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, ডিবিসি নিউজ চ্যানেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান সম্পাদক মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজি প্রিজন্স কর্নেল আবরার হোসাইন, কারা উপমহাপরিদর্শক বজলুর রশীদসহ সকল উপমহাপরিদর্শক ও জেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়করা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।