বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ‘চরমপন্থিদের’ কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুজন মারা গেছে। মৌলভীবাজারে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে আরেকজন। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
বগুড়া : পুলিশ জানিয়েছে, শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর বাজারসংলগ্ন ব্রিজের ওপর চরমপন্থি (সর্বহারা) দুই পক্ষের মধ্যে শুক্রবার গভীর রাতে বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি ওয়ান শুটার গান, আটটি গুলি, দুটি চাপাতি ও তিনটি দলীয় পোস্টার উদ্ধার করা হয়েছে। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) সনাতন চক্রবর্তী জানান, রাত সোয়া ১টার দিকে পুলিশ খবর পায়, ভবানীপুর বাজারের পাশে সর্বহারাদের মধ্যে গোলাগুলি চলছে। খবর পেয়ে তিনি ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবির ঘটনাস্থলে যান। তারা দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সর্বহারা পার্টির লিটন (২৫) ও আফসার (৪০) বলে পরিচয় দেন। তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৌলভীবাজার : পুলিশ জানিয়েছে, নিহত মুহিবুর রহমান জিতু শহরের চিহ্নিত ও শীর্ষ মাদক কারবারি। গতকাল শনিবার দুপুরের এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের এসআই মুমিন উল্লাহসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক জানান, গোপনে ডিবির একটি দল শহরতলির রায়শ্রী এলাকার এক পরিত্যক্ত বাড়িতে মাদক বেচাকেনার খবর পায়। এ খবরে দুপুর ১টার দিকে ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে জিতু ও সহযোগী শিপন গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে জিতু আহত হন। শিপন পালিয়ে যান। জিতুকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জিতুর বিরুদ্ধে ১২টি মাদকের মামলাসহ ১৮-২০টি মামলা আছে বলেও জানান তিনি।