ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’র প্রভাবে সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনিতে শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও হালকা হাওয়া। নদীতে দেখ দিয়েছে উত্তাল ঢেউ।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ মোকাবেলায় সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বেলা সাড়ে ১১টায় প্রেস ব্রিফিং করেছেন।
তিনি বলেছেন, সাতক্ষীরার উপকূলীয় সহস্রাধিক মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান।
জেলা প্রশাসক জানান, ১১৬টি মেডিকেল টিম সক্রিয় রয়েছে। সব উপজেলায় প্রয়োজনীয় অ্যাম্বুলেন্স রিজার্ভ করে রাখা হয়েছে। ১৩৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। চার হাজার স্বেচ্ছাসেবক উপকূলে কাজ করে চলেছেন।
এদিকে শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মণ্ডল বলেন, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের খোলপেটুয়া নদীর ঢেউয়ে দূর্গাবাটিতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গ্রামে ঢুকছে পানি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের জেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন বলেন, ‘ফণি’র প্রভাব ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। মৃদু ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত চলছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিস জানায়, ওডিশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে শুক্রবার মধ্যরাত নাগাদ খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এলাকায় পৌঁছাতে পারে ‘ফণি’।
খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় শুক্রবার দুপুর নাগাদ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ এর অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব শুরু হতে পারে।