ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’র প্রভাবে পটুয়াখালীর দুমকিতে পায়রা নদীর স্রোতের তোড়ে পাউবো’র ওয়াপদা বেড়িবাঁধ ভেঙে উত্তর পাঙ্গাশিয়া, মধ্য পাঙ্গাশিয়া ও দক্ষিণ পাঙ্গাশিয়া গ্রামের মাঠ, ঘাট ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে।
পাঙ্গাশিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলমগীর সিকদার জানান, শুক্রবার রাতে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’র প্রভাবে পায়রা নদীর স্রোতের চাপে উত্তর পাঙ্গাশিয়া গ্রামের অন্তত ৩শ’ মিটার ওয়াপদা বেড়িবাঁধ ভেঙে উত্তর পাঙ্গাশিয়া, মধ্য পাঙ্গাশিয়া ও দক্ষিণ পাঙ্গাশিয়া তলিয়ে গেছে।
বন্যার পানিতে তলিয়ে ওই ৩ গ্রামের মানুষের রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গ্রামবাসীদের নিত্য চলাচলে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, শুষ্ক মৌসুমে যেনতেনভাবে সংস্কার করায় জোয়ারের চাপে বেড়িবাঁধ ভেঙে তার ইউনিয়নের ৩ গ্রামের বসতবাড়ি, মাঠঘাট ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অন্তত ৩ গ্রামের ৫ শতাধিক পরিবারে দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। দ্রুত মেরামত করা না হলে জোয়ারের পানি ওঠা-নামায় বেড়িবাঁধের ভাঙন ক্রমেই বেড়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, “দ্রুত মেরামত করা না হলে ওই এলাকার কৃষকরা চলতি মৌসুমে ফসলের চাষাবাদ করলেও কেউ ফসল ঘরে তুলতে পারবে না। জোয়ারের পানিতে ফসল ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। গ্রামবাসীদের দুর্ভোগ ও ফসল রক্ষার জন্য যত দ্রুত সম্ভব বেড়িবাঁধ মেরামত করা দরকার।”
খবর পেয়ে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি মো. শাহআলম বেড়িবাঁধের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, “বন্যার পানি কমে গেলে যত দ্রুত সম্ভব বেড়িবাঁধ মেরামত করা হবে।”