নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার নাম নাজমুন নাহার ঝুমুর (১১)। গতকাল শনিবার সকালে ঝড়ের সময় আম কুড়াতে গিয়েছিল ওই ছাত্রী। পরে দুপুর ১২টার দিকে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আলমের বাপের নতুন বাড়ি এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
ঝুমুরকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। ঝুমুর চরকাঁকড়া গ্রামের আবদুল হানিফের মেয়ে। সে স্থানীয় সমরত বানু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে চরকাঁকড়া মসজিদ কমিটির সভাপতি আবদুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণির প্রভাবে গতকাল ভোর থেকে এলাকায় প্রচণ্ড বেগে বাতাস বইতে শুরু করে। এর মধ্যে সকাল ৮টার দিকে মামাতো ভাই রাফি ও মামাতো বোন প্রমির সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি বাগানে আম কুড়াতে যায় ঝুমুর। পরে অন্য দুজন বাড়িতে ফিরলেও ঝুমুর ফেরেনি। এর কিছু সময় পর সোনিয়া আক্তার নামে এক প্রতিবেশী নারী আম বাগানের পাশের খালপাড়ে ঝুমুরকে পড়ে থাকতে দেখে তার স্বজনদের খবর দেয়। ঝুমুরের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরীফ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ঝুমুরকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত শেষে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’