ফোনের বয়স একটু বেশি হলেই তাতে আর মন বসে না। কেউ আবার কোনো জুনিয়র কিংবা আত্মীয়কে ব্যবহার করতেও দিয়ে দেন। অথচ একটু কৌশলী হলে নিজের পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড কিংবা আইফোন দিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা যায়।
১. রিমোট: চিন্তা করুন আপনার সব কাজ সারার জন্য যদি একটি মাত্র রিমোট থাকে, তবে কেমন হয়। হ্যাঁ, দারুণ এই কাজটি আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড কিংবা আইফোন দিয়ে করতে পারেন। এ জন্য আপনাকে রিমোট-কন্ট্রোল অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। ‘iRule’ বেছে নিতে পারেন। এরপর সেটিংসে গিয়ে ‘এক্সবক্স ওয়ান’ কিংবা ‘অ্যাপল টিভি’র সঙ্গে সংযোগ দিতে হবে।
যদি আপনার স্মার্ট হাউজ হয়, তাহলে আরও সুবিধা। ওই একটি রিমোট দিয়ে টিভি দেখার পাশাপাশি লাইট জ্বালানো, ফ্যান চালানো যাবে।
২. গুগল হোম: গুগল হোমে স্মার্ট স্পিকার হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করা যায়। তাতে বাড়তি খরচ বেঁচে যায়। গুগল হোম এমন এক ধরনের প্রযুক্তি যেখানে মুখে মুখে কমান্ড দিয়ে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সচল করা যায়।
৩. ক্যামেরা: নিরাপত্তার জন্য আইফোন কিংবা অ্যান্ড্রয়েডকে দারুণভাবে ব্যবহার করা যায়। এ জন্য সিকিউরিটি ক্যামেরা অ্যাপ যেমন ‘Alfred’ ডাউনলোড করতে পারেন। বাইরে যাওয়ার সময় ফোনটি এমন জায়গায় রেখে যেতে হবে, যেখান থেকে ভালো ভিউ আসে। আর ঘরে থাকলে দরজার বাইরে কোনো এক জায়গায় লুকিয়ে রাখতে পারেন। তাতে কে নক করল, সেটি ঘরের ভেতর থেকে আপনার হাতের মোবাইলে দেখতে পাবেন।
৪. বেবি মনিটর: ঘুমন্ত বাচ্চার রুমে সব সময় না থেকেও আপনি তাকে দেখভাল করতে পারেন। রুমের উপরে কোনো জায়গায় ফোনটি রেখে স্কাইপ ইনস্টল করে এটি ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া
‘Dormi’ (Android) অথবা Cloud Baby Monitor (iPhone) অ্যাপও ব্যবহার করতে পারেন।
৫. মাউস: তারহীন মাউস হিসেবে আপনি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য আপনাকে ‘Remote Mouse’ অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে।
এটি ব্যবহার করতে একই ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের সঙ্গে ফোন এবং ডেস্কটপকে যুক্ত করতে হয়।