গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার তিনটি ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে ভারী মালবাহী ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন। ফলে যেকোনো মুহূর্তে সেতুগুলো ভেঙে প্রাণহানি এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনাসহ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে জেলা শহরের সঙ্গে তিন উপজেলার। সেতুগুলোর দুপাশে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি লাগিয়ে দিলেও তা মানছেন না ট্রাকমালিক, চালক ও ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুগুলোর দুপাশেই ঝুঁকিপূর্ণ সাইনবোর্ড লাগানো হলেও বেশি ওজনের মালামাল নিয়ে ট্রাক চলাচল করতে দেখা গেছে। আর এসব বেশি ওজনের মালবাহী ট্রাকের চলাচল ঠেকাতে সেতু তিনটির একটিতেও কাউকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়নি। সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের এক ট্রাকচালক বলেন, ‘আমি চাইলেও ট্রাকে কম মাল নিতে পারব না। কেননা ট্রাকে কত টন ধান ও চাল পরিবহন করা হবে তা ট্রাকমালিকের সঙ্গে চাতাল ব্যবসায়ীর কথা হয়। বাদিয়াখালী সেতু ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও বাধ্য হয়েই বেশি ওজনের মালামাল পরিবহন করতে হচ্ছে। ১৫ টনের অধিক মালামাল নিয়েও এপথে ট্রাকগুলো চলাচল করে’Ñ বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান জানান, এসব সেতু ঝুঁকিপূর্ণ নয়। দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চালকদের সতর্ক করা হয়েছে মাত্র। তিনি আরও বলেন, বাদিয়াখালীতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার অর্থায়নে নতুন সেতু নির্মাণের অনুমোদন পাওয়া গেছে। অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্নের পরই টেন্ডার করা হবে।