টেকনাফ ও সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৫

কক্সবাজারের টেকনাফ ও বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবনে গতকাল সোমবার কথিত বন্দুকযুদ্ধে পাঁচজন মারা গেছেন। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:

কক্সবাজার : নিহতরা হলেন টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাঁচা মিয়ার ছেলে মো. আলম (৩৪) ও জাদিমোড়া ক্যাম্পের মো. রফিক (২০)। পুলিশ বলছে, তারা চিহ্নিত মাদক কারবারি। টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গোপন সংবাদে পুলিশের একটি দল ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযানে যায়। এ সময় ইয়াবা কারবারিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে পুলিশও গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়। পরে সেখানে দুই মাদক কারবারির মরদেহ পাওয়া যায়। উদ্ধার করা হয় দুটি দেশি অস্ত্র, ৭ রাউন্ড গুলি, ২২০০ ইয়াবা ও ইয়াবা বিক্রির ৬ লাখ ৫৬ হাজার ২১০ টাকাও।

মোংলা (বাগেরহাট) : র‌্যাব-৬ এর স্পেশাল কোম্পানি কমান্ডার মেজর শামীম সরকার জানান, পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের খন্তা-কদাইল্লা খালে সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত থেমে থেমে কয়েক দফা বন্দুকযুদ্ধ হয় বনদস্যু রানা বাহিনীর সঙ্গে। এ সময় বাহিনী প্রধান পান্না ওরফে রানা (২৮), কামরুজ্জামান (৩৯) ও জুলহাস (৩২) গুলিবিদ্ধ হন। আহত হন র‌্যাব সদস্য আসিফ ইকবাল (৩০) ও আব্রাহাম লিংকন (৩২)। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, কয়েক রাউন্ড গুলি ও একটি ট্রলার। গুলিবিদ্ধ দস্যুদের বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের বাড়ি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে।